তীর্থঙ্কর দাস: এবার ইউজিসি–নেট পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক। ২০২৪ সালের জুন সেশনের পরীক্ষা হয়েছিল মঙ্গলবার। বুধবার রাতে পুরোপুরি বাতিল করে দেওয়া হল এই পরীক্ষা। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) তরফে এই ঘোষণা হয়েছে। এই খবর শুনে রীতিমতো আকাশ থেকে পড়েন পরীক্ষার্থীরা। এতদিনের প্রচেষ্টা বৃথা। কী বলছেন তাঁরা, খোঁজ নিল আজকাল ডট ইন।
পরীক্ষার্থী রূপা রায় জানালেন, ‘খবরটা পেয়ে হতবাক। এটা সত্যি দুঃখজনক ব্যাপার। এতদিন ধরে এত পরিশ্রম, পরীক্ষা দেওয়া তারপর সেটা বাতিল হওয়া। খুব খারাপ লাগছে। পরীক্ষা ভালই হয়েছিল। আশা ছিল ভাল ফল হবে, কিন্তু সেটা হল না। দেখা যাক, বলা তো হচ্ছে আবার পরীক্ষা হবে। কিন্তু সেটা কবে জানি না। এবারের প্রশ্নপত্র কেমন হবে সেটা নিয়েও যথেষ্ট ভাবতে হচ্ছে। প্রত্যাশা রাখি সবটা ভালভাবেই হবে। আবার নতুন করে মানসিক প্রস্তুতি নিতে হবে।’ অন্যদিকে আরেক পরীক্ষার্থী তিথি দাস জানালেন, ‘খবরটা প্রথমে ভেবেছিলাম ভুয়ো। কারণ পরীক্ষা দেওয়ার পরের দিন পরীক্ষা বাতিল! অসহায় লাগছে, এতদিনের পরিশ্রম জলে গেল।’
আরও এক পরীক্ষার্থী অতিন্দ্রীয় দানা জানিয়েছেন, ‘দীর্ঘ ৩–৪ মাস প্রস্তুতি নেওয়ার পর, অবশেষে পরীক্ষা দিয়ে যখন ইউটিউবের নানা অনলাইন চ্যানেল থেকে উত্তর পত্র দেখছি, তখন শুনছি যে পরীক্ষা বাতিল। এই যে মানসিক চাপ, এতদিনের অক্লান্ত পরিশ্রম, আবার শুরু করতে হবে সব। মানসিক যন্ত্রণা এবং অনিশ্চয়তা নিয়ে থাকতে হবে আগামী কতদিন তা জানা নেই।’ ‘নিট’ নিয়ে যখন বিতর্ক তু্ঙ্গে, তখন বাতিল ‘নেট’ পরীক্ষাও! ১৮ জুন পরীক্ষা হয়েছিল। তার পরের দিন অর্থাৎ ১৯ জুন একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। তারপরেই এই পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত। ইউজিসি–নেটের পরীক্ষা আয়োজকরা জানিয়েছেন, পরীক্ষা নিয়ে যে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে, সেটার তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্ত করবে সিবিআই।
পরীক্ষার্থী রূপা রায় জানালেন, ‘খবরটা পেয়ে হতবাক। এটা সত্যি দুঃখজনক ব্যাপার। এতদিন ধরে এত পরিশ্রম, পরীক্ষা দেওয়া তারপর সেটা বাতিল হওয়া। খুব খারাপ লাগছে। পরীক্ষা ভালই হয়েছিল। আশা ছিল ভাল ফল হবে, কিন্তু সেটা হল না। দেখা যাক, বলা তো হচ্ছে আবার পরীক্ষা হবে। কিন্তু সেটা কবে জানি না। এবারের প্রশ্নপত্র কেমন হবে সেটা নিয়েও যথেষ্ট ভাবতে হচ্ছে। প্রত্যাশা রাখি সবটা ভালভাবেই হবে। আবার নতুন করে মানসিক প্রস্তুতি নিতে হবে।’ অন্যদিকে আরেক পরীক্ষার্থী তিথি দাস জানালেন, ‘খবরটা প্রথমে ভেবেছিলাম ভুয়ো। কারণ পরীক্ষা দেওয়ার পরের দিন পরীক্ষা বাতিল! অসহায় লাগছে, এতদিনের পরিশ্রম জলে গেল।’
আরও এক পরীক্ষার্থী অতিন্দ্রীয় দানা জানিয়েছেন, ‘দীর্ঘ ৩–৪ মাস প্রস্তুতি নেওয়ার পর, অবশেষে পরীক্ষা দিয়ে যখন ইউটিউবের নানা অনলাইন চ্যানেল থেকে উত্তর পত্র দেখছি, তখন শুনছি যে পরীক্ষা বাতিল। এই যে মানসিক চাপ, এতদিনের অক্লান্ত পরিশ্রম, আবার শুরু করতে হবে সব। মানসিক যন্ত্রণা এবং অনিশ্চয়তা নিয়ে থাকতে হবে আগামী কতদিন তা জানা নেই।’ ‘নিট’ নিয়ে যখন বিতর্ক তু্ঙ্গে, তখন বাতিল ‘নেট’ পরীক্ষাও! ১৮ জুন পরীক্ষা হয়েছিল। তার পরের দিন অর্থাৎ ১৯ জুন একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। তারপরেই এই পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত। ইউজিসি–নেটের পরীক্ষা আয়োজকরা জানিয়েছেন, পরীক্ষা নিয়ে যে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে, সেটার তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্ত করবে সিবিআই।















