কাঁদছে প্রকৃতি। কাঁদছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তও। তাঁর প্রিয় গৌতম হালদার ‘নেই’! মেনে নিতে পারছেন না কিছুতেই। কলকাতায় সদ্য পা রেখেই অঘটনের খবর। কথা বলতে গিয়ে বারেবারে গলা কেঁপেছে। আজকাল ডট ইনকে নায়িকার স্মৃতিচারণ, ‘‘আমার খুব পছন্দের একজন মানুষ। ওঁর ‘ভাল থেকো’ ছবিতে আমার নায়িকা হওয়ার কথা ছিল। সেই সময় ‘আলো’র শুট চলছিল। সময় দিতে পারিনি।’’
কান্নাভেজা গলায় জানিয়েছেন, অনুরোধ জানাতে অনেকবার প্রয়াত পরিচালক তাঁর বাড়িতে এসেছিলেন। কিছুতেই তারিখ বের করতে পারেননি নায়িকা। ফলে, দু’জনের খুব ইচ্ছে থাকলেও কাজটা আর হয়ে ওঠেনি। এরপর গৌতমবাবু বেছে নেন বিদ্যা বালনকে। কিন্তু যতবার দেখা হয়েছে ততবার ঋতুপর্ণাকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, ‘‘তোমায় নিয়ে আরও ভাল একটা ছবি করব।’’ সেই আশা নিয়ে দিন গুণেছেন বড়পর্দার ‘দত্তা’। দিনটা আসেনি। ঋতুপর্ণার আক্ষেপ, ‘‘শহরে পা দিয়ে এমন একটা খবর শুনব, ভাবতে পারিনি। ভাবতে পারছি না গৌতমদা চলে গেলেন। আমার অপেক্ষাই সার। আর ওঁর সঙ্গে ছবি করা হল না।’’
পরিচালক গৌতম হালদারের পাশাপাশি ‘ব্যক্তি’ গৌতম হালদারও বড় প্রিয় তাঁর। নায়িকার কথায়, ‘‘যত বড় পণ্ডিত ততটাই মাটির কাছাকাছি। ভীষণ অমায়িক ছিলেন। ওঁর সঙ্গে কথা বলে আরাম পেতাম। নানা বিষয়ে কত জ্ঞান! কিন্তু কোনও অহঙ্কার ছিল না। খুব ভাল গাইতে পারতেন। এমন মানুষের চলে যাওয়া বিনোদন দুনিয়ার অপরিণত ক্ষতি। ওঁর শূন্যস্থান পূরণ হবে না। প্রার্থনা করি, গৌতমদা যেন ভাল থাকেন।’’
কান্নাভেজা গলায় জানিয়েছেন, অনুরোধ জানাতে অনেকবার প্রয়াত পরিচালক তাঁর বাড়িতে এসেছিলেন। কিছুতেই তারিখ বের করতে পারেননি নায়িকা। ফলে, দু’জনের খুব ইচ্ছে থাকলেও কাজটা আর হয়ে ওঠেনি। এরপর গৌতমবাবু বেছে নেন বিদ্যা বালনকে। কিন্তু যতবার দেখা হয়েছে ততবার ঋতুপর্ণাকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, ‘‘তোমায় নিয়ে আরও ভাল একটা ছবি করব।’’ সেই আশা নিয়ে দিন গুণেছেন বড়পর্দার ‘দত্তা’। দিনটা আসেনি। ঋতুপর্ণার আক্ষেপ, ‘‘শহরে পা দিয়ে এমন একটা খবর শুনব, ভাবতে পারিনি। ভাবতে পারছি না গৌতমদা চলে গেলেন। আমার অপেক্ষাই সার। আর ওঁর সঙ্গে ছবি করা হল না।’’
পরিচালক গৌতম হালদারের পাশাপাশি ‘ব্যক্তি’ গৌতম হালদারও বড় প্রিয় তাঁর। নায়িকার কথায়, ‘‘যত বড় পণ্ডিত ততটাই মাটির কাছাকাছি। ভীষণ অমায়িক ছিলেন। ওঁর সঙ্গে কথা বলে আরাম পেতাম। নানা বিষয়ে কত জ্ঞান! কিন্তু কোনও অহঙ্কার ছিল না। খুব ভাল গাইতে পারতেন। এমন মানুষের চলে যাওয়া বিনোদন দুনিয়ার অপরিণত ক্ষতি। ওঁর শূন্যস্থান পূরণ হবে না। প্রার্থনা করি, গৌতমদা যেন ভাল থাকেন।’’















