আজকাল ওয়েবডেস্ক: মরশুমের মাঝপথেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, এটাই ইস্টবেঙ্গলে তাঁর শেষ মরশুম। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এই ঘোষণায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। কর্তা থেকে প্রাক্তন প্লেয়ার, কেউই মরশুম শেষের আগে এমন কথা মেনে নিতে পারেনি। বিশেষ করে লিগের গুরুত্বপূর্ণ পর্বে। অনেকেই মনে করেন, এমন ঘোষণা প্লেয়ারদের মনোবল ভেঙে দিতে পারে। কিন্তু নিজ সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন অস্কার। বারবার একই কথা বলেন। মাঝে ঝামেলা বাঁধে ক্লাবের তিন প্রাক্তন তারকা অ্যালভিটো ডি'কুনহা, সন্দীপ নন্দী এবং রহিম নবির সঙ্গে। ক্লাবের একশো বছরের ইতিহাসে ২২ বছর পর অস্কারের হাত ধরে লিগ ক্লাবতাঁবুতে ঢুকেছে। এবার কি মত বদলাবেন? থেকে যাবেন ইস্টবেঙ্গলে? বিশেষ করে সমর্থকদের আকুল অনুরোধে। সরাসরি না বললেও, মনে হল কিছুটা সুর নরম করেছেন ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ কোচ। অস্কার বলেন, 'আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে গোটা মরশুমে আমি যা বলেছিলাম, সেটাই বলব। আমি বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রস্তাব পাচ্ছি। তবে ক্লাব যদি ১ জুন কথা বলতে চায়, আমি আনন্দের সঙ্গে বলব। আর যদি ক্লাবের কোনও প্ল্যান না থাকে, তাহলে কিছু করার নেই। আর কথা এগোবে না।'
অস্কারের ভবিষ্যৎ নিয়ে কী বলছেন ইমামি কর্তারা? এই প্রসঙ্গে মুখ খুলতে চাননি বিভাস আগরওয়াল। শুধু বলেন, 'আইএসএল ক্যালেন্ডারের ওপর নির্ভর করছে। আমাদের দেখতে হবে।' আদিত্য আগরওয়ালও বিশেষ কিছু বলতে চাননি।ইমামি কর্তা বলেন, 'ওর সঙ্গে কথা হবে, দেখা যাবে।' অস্কারের মতো ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের গাঁটছড়া নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ময়দানে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, সরে যাবে ইমামি। আগামী মরশুমে আবার ইনভেস্টর খুঁজতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। তবে খুশির দিনে এই বিষয়ে আলোচনা করতে চায়নি ইস্টবেঙ্গল এবং ইমামি। দেবব্রত সরকার বলেন, 'আমার মনে হয় আজকে সংবাদমাধ্যমের এই কথা বলা বাঞ্ছনীয় নয়। পুরো দল, কোচকে আমাদের ক্লাবের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।' অস্কারের ভাগ্য এখনও সুতোয় ঝুলছে।















