সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। সারাদিনের ক্লান্তি শেষে রাতে একনাগাড়ে শান্তির ঘুম আমরা সবাই চাই। কিন্তু অনেকেরই মাঝরাতে আচমকা ঘুম ভেঙে যাওয়ার সমস্যা থাকে।
2
8
চিকিৎসাবিজ্ঞান এর পেছনে মানসিক চাপ বা শারীরিক অস্বস্তিকে দায়ী করলেও, জ্যোতিষশাস্ত্রের ব্যাখ্যা কিন্তু অন্যরকম। জ্যোতিষবিদদের মতে, রাতে ঠিক কোন সময়ে আপনার ঘুম ভাঙছে, তার ওপর নির্ভর করে লুকিয়ে রয়েছে নানা ইঙ্গিত।
3
8
রাত ৯টা থেকে ১১টা। এই সময়ে অনেকেই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে যদি প্রায়ই ঘুম ভেঙে যায়, তবে বুঝতে হবে আপনি তীব্র মানসিক চাপে ভুগছেন। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ঘুমনোর আগে চোখে-মুখে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিন এবং ইষ্টদেবতাকে স্মরণ করে ঘুমান।
4
8
রাত ১১টা থেকে ১টা। এই সময়ে আচমকা ঘুম ভেঙে যাওয়ার অর্থ, কোনও কারণে আপনার মন ভীষণ বিক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছে। মনকে শান্ত করতে চিন্তাভাবনায় ইতিবাচকতা আনা জরুরি। রাতে ঘুমনোর আগে কোনও ভালো বই পড়তে পারেন অথবা হালকা সুরের গান বা মন্ত্র শুনতে পারেন।
5
8
রাত ১২টা থেকে ২টো। মাঝরাতের এই সময়ে নিয়মিত ঘুম ভেঙে যাওয়ার পেছনে কোনও অদৃশ্য শক্তির হাত থাকতে পারে বলে মনে করে জ্যোতিষশাস্ত্র।
6
8
রাত ১টা থেকে ২টো। এই নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম ভাঙার অর্থ হলো, আপনার মনের ভেতর কোনও ক্ষোভ বা রাগ জমে রয়েছে। এর থেকে রেহাই পেতে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। রাতে শুতে যাওয়ার আগে হাত-পা ঠান্ডা জলে ধুয়ে, এক গ্লাস জল খেয়ে ঘুমান।
7
8
রাত ৩টে বা তার কাছাকাছি সময়। শাস্ত্র মতে, ভোররাতের এই সময়টিকে অত্যন্ত পবিত্র মনে করা হয়। এই সময়ে ঘুম ভেঙে যাওয়ার অর্থ, কোনও দৈব শক্তি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইছে। একে ঈশ্বরের আশীর্বাদ মনে করে এই সময়ে উঠে ইষ্টদেবতার নাম জপ করা অত্যন্ত শুভ।
8
8
ভোর ৩টে থেকে ৫টা। প্রায় প্রতিদিন ভোররাতের এই সময়ে যদি আপনার চোখ খুলে যায়, তবে বুঝবেন কোনও অজানা শুভ শক্তি আপনার সঙ্গে মিলিত হতে চাইছে। এই সময়ে বিছানা ছেড়ে উঠে ঈশ্বরের আরাধনা করলে জীবনে শুভ ফল মেলে।