আজকাল ওয়েবডেস্ক: কিউয়িদের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত ৯৩। আর ওই ৯৩ রান ভারতকে জয় এনে দিতে সাহায্য করেছে। ওয়ানডে সিরিজে ১-০-এ এগিয়ে যাওয়ার পরে বিরাট কোহলিকে দেখা যায় অন্য অবতারে। তিনি গ্রাউন্ডস্টাফদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মাঠেই বসে পড়েন। তাঁদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। সাপোর্টস্টাফদের সঙ্গে ছবি তোলেন। বিরাট কোহলির ভদ্রতা, তাঁর মহানুভবতার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। কোহলির খেলোয়াড়োচিত মনোভাব প্রশংসিত হয়। দ্বিতীয় ওয়ানডে হবে বুধবার। সেই ওয়ানডেতে সবার নজরে থাকবেন কোহলি। 

বিরাট কোহলি মানেই দর্শকদের হৃদয়ের মহারাজা। 

তিনি যেখানে, অত্যুৎসাহী জনতার ভিড়ও সেখানে। ভদোদরায় নামার পর তাঁকে নিয়ে ভক্তদের আবেগ ছিল দেখার মতো। একটা সময়ে কোহলি হাঁটতেই পারছিলেন না। নিরাপত্তারক্ষীরা কোনওরকমে কোহলিকে গাড়ির ভিতরে ঢুকিয়ে দেন। 

প্রথম ওয়ানডেতে রোহিত শর্মা আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যাওয়ার সময়ে ব্যাপক হর্ষধ্বনির মাধ্যমে বিরাট কোহলিকে আবাহন করা হয়। 

আইপিএলে এমন দৃশ্য খুবই পরিচিত। চেন্নাই সুপার কিংসের মহানায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি ব্যাট হাতে নামার সময়ে গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে ধোনির জন্য জয়ধ্বনি করে। 

সেই একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে কোহলির ক্ষেত্রে। বিরাট ব্যাট হাতে নামলেই দর্শকরা শুরু করে দেন তাঁর নাম ধরে চিৎকার। 

কোহলির অবশ্য এ সব না পসন্দ। বিরাট বলেছেন, ''আমি এই সম্পর্কে অবহিত। এটা অবশ্য আমার ভাল লাগে না। এমএসের সঙ্গে একই ঘটনা ঘটে। যে আউট হয়ে ফিরে যাচ্ছে, তার এটা মোটেও ভাল লাগে না। দর্শকরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন, সেটা বুঝতে পারি। এ নিয়ে বিশেষ কিছু ভাবি না।'' 

তবে দর্শকদের এহেন নামসঙ্কীর্তনকে আশীর্বাদ বলে মনে করেন কোহলি। তিনি বলেছেন, ''আমি কৃতজ্ঞ। ছোটবেলা থেকে যে স্বপ্ন দেখতাম, সেটাই পূরণ হচ্ছে। আমাকে দেখে অসংখ্য মানুষের মুখে হাসি ফুটছে। এটা দারুণ অনুভূতি।'' 

প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে সাত রানের জন্য সেঞ্চুরি পাননি কোহলি। ৯১ বলে ৯৩ রানের ইনিংস খেলে তিনি দেখিয়ে কী দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন। ৪৫-তম ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেলেন কোহলি। 

ম্যাচ সেরার পুরস্কার তিনি উৎসর্গ করছেন তাঁর মা-কে। কোহলিকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''আমি ট্রফিগুলো পাঠিয়ে দিই গুরগাওয়ে মায়ের কাছে। মা সব ট্রফি কাছে রাখতে চান। মায়ের গর্ববোধ হয়।''