আজকাল ওয়েবডেস্ক: দুর্দান্ত শুভমান গিল বললেও কম বলা হবে। তিনি সেই 'মিডাস রাজা'র কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন। যা ধরছেন তাতেই সোনা ফলাচ্ছেন। হেডিংলি টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন তিনি। এজবাস্টনেও গিলের ব্যাটে রানের ফল্গুধারা।

প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ২৬৯ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে গিল ফের শতরান করলেন। একই টেস্ট ম্যাচে ডাবল হান্ড্রেড ও হান্ড্রেড করেছেন অনেকেই। এই তালিকায় রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ডুগ ওয়াল্টার্স, সুনীল গাভাসকর, লরেন্স রো, গ্রেগ চ্যাপেল, গ্রাহাম গুচ, ব্রায়ান লারা, কুমার সঙ্গকারা, মারনাস লাবুশেনের মতো তারকারা।

সেই তালিকায় নবতম সংযোজন ভারত অধিনায়ক শুভমান গিল। একাধিক নজির গড়লেন ভারতের তরুণ অধিনায়ক। সম্প্রচারকারী চ্যানেলে বলা হচ্ছিল শুভমান যুগ শুরু হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটে। এই সফরের আগেও গোটা দেশ তাঁকে বিদেশ সফরে পয়েন্ট দিত না। ইংল্যান্ড সফর এক ঝটকায় বদলে দিল শুভমান গিলকে।

টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে প্রথম চারটি ইনিংসে শুভমান গিলই সবার উপরে। তাঁর নামের পাশে লেখা ৫২৪*। গিলের পরই রয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন অধিনায়ক মারভান আটাপাট্টু। তাঁর সংগ্রহ ৪৫৮ রান। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি ৪৪৯ রান করে রয়েছেন তিন নম্বরে। ৪২৯ রান করে সুনীল গাভাসকর চার নম্বরে। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক গ্রেম স্মিথের সংগ্রহে ৩৯৩ রান। 

চা বিরতির সময় ভারতের রান ৪ উইকেটে ৩০৪। গিল ব্যাট করছেন ১০০ রানে। তাঁর সঙ্গী রবীন্দ্র জাদেজা (২৫)। ভারত ৪৮৪ রানে এগিয়ে। এসব হিসেবনিকেশ চলে গেল পিছনের সারিতে। সামনের সারিতে কেবল শুভমান গিল। গাভাসকরের পরে দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে তিনি এই নজির গড়লেন। এমনকী প্রথম ভারত অধিনায়ক হিসেবে একই টেস্টে একশো ও দুশো করলেন।