আজকাল ওয়েবডেস্ক: সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচ ইন্ডোরে। সেই ম্যাচে নিউ জিল্য়ান্ড করল পাহাড়প্রমাণ ৩৩৭ রান। অর্থাৎ ভারতকে সিরিজ জিততে হলে অসাধ্য সাধন করতে হবে।
একসময়ে নিউজিল্য়ান্ডের রান ছিল ৩ উইকেটে ৫৮। সেখান থেকেই ড্যারিল মিচেল ও গ্লেন ফিলিপস ইনিংসের হাল ধরেন। ২১৯ রানের পার্টনারশিপ গড়েন মিচেল ও ফিলিপস।
মিচেল ও ফিলিপস জোড়া শতরান করেন। মিচেল ১৩১ বলে ১৩৭ রান করেন। অন্যদিকে ফিলিপস ৮৮ বলে ১০৬ রান করেন। এই দুই ব্যাটার ভারতের কাজ কঠিন করে দিলেন এ কথা বলাই যায়।
কিউয়িরা আরও বেশি রান করতেই পারত। ৩ উইকেটে ২৭৭ থেকে ৩২৭-এর মধ্যে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে। ফলে কিউয়িরা নিজেদের রান আরও বাড়াতে পারেনি।
হেনরি নিকোলসকে শূন্য রানে ফিরিয়ে দিয়ে শুরুটা ভালই করেছিলেন অর্শদীপ সিং। অন্যদিকে ডেভন কনওয়েকে ৫ রানে ফেরান হর্ষিত রানা। ২ উইকেট চলে যায় পাঁচ রানে। উইল ইয়ং ফেরেন দলীয় রান ৫৮-য়। তখনও মনে হচ্ছিল ভারত বুঝি ম্যাচের দখল নিয়ে ফেলেছে।
কিন্তু ড্যারিল মিচেল ও গ্লেন ফিলিপস অন্যকিছু ভেবেছিলেন। ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে এই দুই ব্যাটার রুদ্র মূর্তি ধারণ করেন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে অর্শদীপ সিং ৩টি, হর্ষিত রানা ৩টি উইকেট নেন। মহম্মদ সিরাজ ও কুলদীপ যাদব একটি করে উইকেট নেন। কুলদীপ ও জাদেজা তাঁদের কোটা পূর্ণ করেননি।
ভারত এখন তাকিয়ে দুই মহাতারকার দিকে। ওপেন করতে নেমে রোহিত কী করেন, সেটাি দেখতে চান সবাই। প্রথম দুটো ওয়ানডেতে রোহিতের ব্যাট চলেনি। রবিবার কি তাঁর গাণ্ডীব কথা বলবে? অন্যদিকে চেজমাস্টার হিসেবে পরিচিত বিরাট কোহলি কী করেন, সেটা দেখার অপেক্ষায় থাকবেন সবাই। প্রথম ওয়ানডেতে শতরান হাতছাড়া করেন কোহলি। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে কোহলিকে ফেরান ক্রিশ্চিয়ান ক্লার্ক। তৃতীয় ও সিরিজ নির্ণায়ক ওয়ানডেতে চেজমাস্টার কি সিরিজ জেতাতে পারবেন ভারতকে? সময় এর উত্তর দেবে।
