আজকাল ওয়েবডেস্ক: লিডসে দ্বিতীয় দিনের শুরুটা ভাল করেন। এগিয়ে যাচ্ছিলেন দ্বিশতরানের দিকে। কিন্তু দেড়শোর গণ্ডি পেরোতে পারলেন না। তার আগেই প্যাভিলিয়নে ফিরলেন। হতাশা চেপে রাখতে পারেননি। সাজঘরে ফেরার পথে কাঁদতে দেখা যায় শুভমন গিলকে। লিডসে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচেই সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। শতরান করেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৪৭ রান করে আউট হন। ভারতীয় ত্রয়ী যশস্বী জয়েসওয়াল, শুভমন গিল এবং ঋষভ পন্থের ব্যাটে ভর করে পাঁচ ম্যাচের সিরিজের শুরুতেই চালকের আসনে ভারত। যেভাবে এগোচ্ছিলেন ভারতের তরুণ নেতা, দুশো অবধারিত ছিল। কিন্তু শোয়েব বশিরের বলে আগ্রাসী শট মারতে গিয়ে আউট হন। ডিপ স্কোয়ার লেগে জস টাংয়ের হাতে ধরা পড়েন। চার মেরে দেড়শোয় পৌঁছনো লক্ষ্য ছিল। কিন্তু ভুল শট খেলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। 

গিল মাঠ ছাড়ার সময় হাততালি দিয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানায় হেডিংলিতে উপস্থিত সমর্থকরা। সতীর্থরা উঠে দাঁড়িয়ে কুর্নিশ জানায়। শুধু রান নয়, চাপের মুখে তাঁর টেম্পারামেন্টের প্রশংসা করেন। ক্যামেরার লেন্সে বন্দি করার জন্য তৈরি ছিল চিত্র সাংবাদিকরা।‌ আবেগঘন মুহূর্ত ধরা পড়ল ক্যামেরায়। ব্যাট তুললেন। কিন্তু চোখ ছলছল করছিল। কান্না চেপে রাখতে পারেননি। বয়স নেহাতই কম। সবে ২৫ বছর। সদ্য অধিনায়ক হয়েছেন। স্বপ্ন আকাশছোঁয়া। প্রথম টেস্টে শতরানে থামতে চাননি। দুশো লক্ষ্য ছিল। সেটা না পাওয়ায় হতাশা চেপে রাখতে পারেননি তরুণ নেতা। রোহিত শর্মার অবসরের পর টেস্টে ভারতের ভবিষ্যৎ গিলের হাতে। ২০০৭ সালে রাহুল দ্রাবিড়ের অধিনায়কত্বে ইংল্যান্ডের মাটিতে শেষবার টেস্ট সিরিজ জিতেছিল ভারত। এবার গিলের হাত ধরে লাল বলের ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস লিখতে চায় টিম ইন্ডিয়া।