আজকাল ওয়েবডেস্ক: আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে ভারত যাবে পাকিস্তানে? গোটা বিষয়টিই অনিশ্চিত। বিসিসিআই জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্র অনুমতি দিলে যাবে। নইলে নয়। প্রয়োজনে দুবাই কিংবা শ্রীলঙ্কায় খেলবে ভারত। কিন্তু পাকিস্তান এই যুক্তি মানতে রাজি নয়। পিসিবির দাবি, ভারতকে খেলতে আসতে হবে পাকিস্তানেই। নিরাপত্তার জন্য ভারতের সমস্ত ম্যাচ রাখা হয়েছে লাহোরে।
যদিও ভারতের বক্তব্যকে একেবারেই অযৌক্তিক বলছেন না দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং। ভাজ্জি স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, ‘ভারতীয় দল কেন যাবে পাকিস্তানে? ওখানে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে। পাকিস্তানে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু ঘটনা ঘটেই চলেছে। সেখানে কোনও দলই সুরক্ষিত নয়। বিসিসিআই একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা সবার আগে। বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি।’
যদিও পাকিস্তান প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বাস দিয়েছে। একই ভেন্যুতে ম্যাচ সহ একই হোটেলে রাখা। কিন্তু বিসিসিআই তাতেও সন্তুষ্ট নয়। গতবারও এশিয়া কাপ খেলতে ভারত যায়নি পাকিস্তানে। সব ম্যাচই খেলেছিল শ্রীলঙ্কায়। এমনকী ভারত–পাক ম্যাচও হয়েছিল শ্রীলঙ্কায়। তাই এবারও শেষমেশ ভারতের দাবির কাছেই হয়ত মাথা নোয়াতে হবে পাকিস্তানকে।
যদিও ভারতের বক্তব্যকে একেবারেই অযৌক্তিক বলছেন না দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং। ভাজ্জি স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, ‘ভারতীয় দল কেন যাবে পাকিস্তানে? ওখানে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে। পাকিস্তানে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু ঘটনা ঘটেই চলেছে। সেখানে কোনও দলই সুরক্ষিত নয়। বিসিসিআই একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা সবার আগে। বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি।’
যদিও পাকিস্তান প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বাস দিয়েছে। একই ভেন্যুতে ম্যাচ সহ একই হোটেলে রাখা। কিন্তু বিসিসিআই তাতেও সন্তুষ্ট নয়। গতবারও এশিয়া কাপ খেলতে ভারত যায়নি পাকিস্তানে। সব ম্যাচই খেলেছিল শ্রীলঙ্কায়। এমনকী ভারত–পাক ম্যাচও হয়েছিল শ্রীলঙ্কায়। তাই এবারও শেষমেশ ভারতের দাবির কাছেই হয়ত মাথা নোয়াতে হবে পাকিস্তানকে।
















