আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ভারত নেই কিন্তু রয়েছে ভারতের ছোঁয়া।
গ্রুপ এইচ-এর ম্যাচে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তের গোলে ১-১ সমতা ফিরিয়ে উরুগুয়ের হার এড়ালেন ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউজো। তাঁর গোলে উরুগুয়ের শিবিরে স্বস্তি ফেরে। আর ম্যাক্সিমিলিয়ানোর গোলে আনন্দের রেশ ছড়িয়ে পড়ে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে ভারতের গোয়াতেও।
কারণ, উরুগুয়ের এই উইঙ্গারের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভারতের এক বিশেষ যোগসূত্র। ম্যাক্সিমিলিয়ানোর দাদু রেডুয়ালদো আরাউজোর শিকড় গোয়ার দক্ষিণাঞ্চলের গ্রাম লৌতোলিমে। এই গ্রামই বিখ্যাত শিল্পী মারিও মিরান্ডার জন্মস্থান।
এক সময়ে বহু গোয়ান নাগরিকের মতোই রেডুয়ালডো উন্নত জীবিকার সন্ধানে আফ্রিকার অ্যাঙ্গোলায় পাড়ি দেন। পরে তিনি ব্রাজিলে চলে যান এবং শেষ পর্যন্ত উরুগুয়ের রিভেরা শহরে থিতু হন। সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউজো।
বর্তমানে পর্তুগালের শীর্ষ ক্লাব স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে খেলেন ২৬ বছর বয়সী এই ফুটবলার। ২০২৩ সালে উরুগুয়ের জাতীয় দলের হয়ে অভিষেকের পর দ্রুতই দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে ওঠেন তিনি। আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে ইতিমধ্যেই ১৪ ম্যাচে ৪ গোল করেন আরাউজো। ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকাতে ৬ ম্যাচে ছিল ২ গোল।
সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ম্যাচেও তাঁর উপস্থিত বুদ্ধি ও গোল করার ক্ষমতাই উরুগুয়েকে বাঁচায়। ম্যাচের প্রায় ৮০ মিনিটে গোল করে তিনি সমতা ফেরান এবং দলের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান এক পয়েন্ট নিশ্চিত করেন।
এর আগে একই গ্রুপে স্পেন ও কেপ ভার্দের ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হয়। জমে ওঠে গ্রুপের লড়াই।
বিশ্বমঞ্চে ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউজোর এই গোল তাই শুধু উরুগুয়ের জন্যই নয়, ভারতীয় বংশসূত্রের কারণে গোয়া ও ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের কাছেও গর্বের এক মুহূর্ত হয়ে থাকল।















