আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এশিয়া কাপে ট্রফি বিতর্কে ভারতকে একহাত নিলেন পাকিস্তান ক্রিকেটার শাহিন শাহ আফ্রিদি। 


প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা ও অপারেশন ‘‌সিঁদুর’‌ এর পর এশিয়া কাপে পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে করমর্দন করেননি সূর্যকুমার যাদবরা। এমনকী চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মহসিন নকভির থেকে ট্রফিও নেননি। যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়েছিল। যদিও আগাগোড়াই টিম ইন্ডিয়ার পাশে ছিল বিসিসিআই। 


এই প্রসঙ্গে এবার নিজের মত প্রকাশ করেছেন পাক পেসার আফ্রিদি। তিনি ভারতকে একহাত নিয়ে বলেছেন, ‘‌সীমান্তের ওপারের মানুষরা স্পোর্টসম্যানশিপ স্পিরিট দেখায়নি। আমাদের কাজ ক্রিকেট খেলা। ক্রিকেটের বাইরের বিষয় নিয়ে ভাবা আমাদের কাজ নয়। আমরা মাঠেই জবাব দেওয়ার চেষ্টা করি।’‌ 


শাহিনের এই মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা রীতিমতো বিরক্তি দেখিয়েছেন। পাল্টা শাহিনকে একহাত নিয়ে বলা হয়েছে, ‘‌ফাঁকা কলসির আওয়াজ বেশি।’‌ আর একজন বলেছেন, ‘‌আপনার মুখে এই কথা মানায় না।’‌ আর একজন মজা করে বলেছেন, ‘‌চলো মাঠেই দেখা যাক।’‌ 


সময়টা অবশ্য ভাল যাচ্ছে না শাহিন আফ্রিদির। হাঁটুর চোটে ভুগছেন। পিসিবির মেডিক্যাল বোর্ড তাঁর চোটের বিষয়টা দেখছে। তিনি কবে পুরো সুস্থ হবেন তা নিশ্চিত নয়। বিগ ব্যাশে চোটটি পান শাহিন। পাক বোর্ড আশাবাদী টি–২০ বিশ্বকাপের আগেই সুস্থ হয়ে যাবেন আফ্রিদি। 

এদিকে, আসন্ন টি–২০ বিশ্বকাপে শাহিন আফ্রিদিকে পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী সলমন আঘা। পাকিস্তানের টি–২০ অধিনায়ক আশা করছেন, আইসিসির মার্কি টুর্নামেন্টের আগেই হাঁটুর চোট সারিয়ে মাঠে ফিরবেন জুনিয়র আফ্রিদি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তত্ত্বাবধানে রিহ্যাব চলছে আফ্রিদির। লাহোরে হাই পারফরম্যান্স সেন্টারে পিসিবির মেডিক্যাল প্যানেলের তত্ত্বাবধানে আছেন তিনি। পাকিস্তানের টি–২০ অধিনায়কের আশা, বিশ্বকাপের আগেই সম্পূর্ণ ফিট হয়ে যাবেন আফ্রিদি। সলমন আঘা বলেছেন, ‘‌আমরা আশা করছি বিশ্বকাপের আগে সম্পূর্ণ ফিট হয়ে যাবে আফ্রিদি। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। মেডিক্যাল প্যানেলের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’‌ বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি–২০ সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। 

অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। সেখানে রিহ্যাব করতে দেখা যায় আফ্রিদিকে। তবে বেশিক্ষণ করতে পারেননি। চোটের জন্য থেমে যেতে বাধ্য হন। যা চিন্তা আরও বাড়াচ্ছে।