আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ চোট নিয়ে টি–২০ বিশ্বকাপ খেলেছিলেন বাবর আজম ও ফখর জামান। প্রকাশ্যে চলে এসেছে এই ঘটনা। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচক আকিব জাভেদ কিছুদিন আগেই এই প্রশ্ন তুলেছিলেন। কারণ বিশ্বকাপ থেকে ফিরেই জাতীয় টি–২০ প্রতিযোগিতায় খেলতে অস্বীকার করেছিলেন বাবর। কারণ হিসেবে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কথা বলেছিলেন। এরপর ফখর জামানও চোটের জন্য ওই টুর্নামেন্ট ও বাংলাদেশ সিরিজ থেকে ছিটকে যান। তখনই আকিব এই প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাহলে দুই তারকা কী চোট নিয়েই টি–২০ বিশ্বকাপ খেলেছিলেন। অবশেষে মেডিক্যাল রিপোর্টে জানা গেছে, চোট নিয়েই বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েছিলেন বাবররা।


পাক ক্রিকেট বোর্ড এই তথ্য পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করেছে। আকিব জাভেদ জানিয়েছিলেন, আমেরিকা নিবাসী চিকিৎসক জাভেদ মুঘলের রিপোর্টে এমনই ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। টি–২০ বিশ্বকাপের দল নির্বাচনের সময়ই চোট ছিল বাবর এবং জামানের। 


প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারিতে পিসিবির মেডিক্যাল প্যানেলের ডিরেক্টর হিসাবে যোগ দিয়েছেন মুঘল। টি–২০ বিশ্বকাপের পর তিনি পাকিস্তান দলের ক্রিকেটারদের শারীরিক পরীক্ষা করেছিলেন। তাতেই দুই ক্রিকেটারের চোটের কথা জানা গিয়েছিল। পরে জাতীয় টি–২০ প্রতিযোগিতা থেকে বাবর সরে দাঁড়ানোয় সন্দেহ আরও তীব্র হয়। জানা যায়, দু’‌জনেরই একই ধরনের চোট রয়েছে। 


এখন প্রশ্ন উঠছে চোট নিয়েও দুই ক্রিকেটার কীভাবে বিশ্বকাপে অংশ নিলেন। এক সূত্রের খবর, পাকিস্তান দলের ফিজিওথেরাপিস্টের সঙ্গে এই দুই ক্রিকেটারের সম্পর্ক বেশ ভাল। মনে করা হচ্ছে, বাবর ও ফখরের চোটের কথা তিনিই চেপে গিয়েছিলেন। কারণ বিশ্বকাপের পর যখন পরীক্ষা করা হয়, তখন দুই ক্রিকেটারের চোটই অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। 


এটা ঘটনা, দলের ফিজিও ক্লিফ ডিকনের রিপোর্টের ভিত্তিতেই টি–২০ বিশ্বকাপের দলে রাখা হয়েছিল বাবর এবং ফখরকে। এটা ঘটনা, অতীতেও ক্রিকেটারদের অল্প চোটকে গুরুত্ব না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ডিকনের বিরুদ্ধে। বাবরদের চোট নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় তদন্ত শুরু করেছে পিসিবি। জাতীয় দলের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।