আজকাল ওয়েবডেস্ক: যুবভারতীতে মেসি কাণ্ডে নতুন করে এফআইআর করল বিধাননগর পুলিশ। সেখানে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের নাম আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে পুলিশ।
মেসির গোট কনসার্টের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত বিধাননগর দক্ষিণ থানায় আলাদাভাবে একটি অভিযোগ জানিয়েছেন। যেখানে শুধুমাত্র প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মেসি-কাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসের নামে এফআইআর রুজু করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া খুব দ্রুতই শুরু করতে চলেছে পুলিশ।
বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের দিনই শতদ্রু সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্যত বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার স্টোরিতে অরূপ ও পাপিয়া অধিকারীর ফলাফলের ছবি পোস্ট করে শতদ্রু লিখেছিলেন, ''খেলা শেষ তোমার, এবার আমার শুরু।''
আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি এই রাজ্যে আসার সময়ে অরূপ বিশ্বাস ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী। ১৩ ডিসেম্বর মেসি যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। মাঠে ঢুকে পড়ে অসংখ্য লোক। মহানায়কের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত ছিলেন তারা। এমনকী অরূপ বিশ্বাসকেও দেখা যায় মেসির সঙ্গে ছবি তুলতে। তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও মেসির সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা যায়। পরিস্থিতি অন্যরকম হতে দেখে দ্রুত যুবভারতী ছেড়ে চলে যান এলএম ১০। মেসি যুবভারতী ছাড়তেই শুরু হয় ধ্বংসলীলা। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাঙালির বড় আপন যুবভারতী। আয়োজক শতদ্রু দত্তকে যেতে হয় জেলে। মেসি-কাণ্ডের ৩৭ দিন পরে শর্তসাপেক্ষে জামিন পান শতদ্রু।
বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই শতদ্রু লেখেন, ''তুমি আমাকে বলির পাঁঠা করেছো। কিন্তু ঈশ্বর রয়েছেন।'' ২৮ মে শতদ্রু সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, ''৭ দিন আগে আমি প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, জুই বিশ্বাস, প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার এবং কয়েকজন আইএএস ও সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে কলকাতায় লিওনেল মেসির ইভেন্ট ঘিরে ঘটে যাওয়া গুরুতর নিরাপত্তা বিপর্যয় ও অন্যান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছি। এখনও পর্যন্ত কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি এবং অভিযুক্তদের কাউকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি। তবুও বর্তমান সরকার এবং বিচার ব্যবস্থার উপর আমার সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে, এবং আমি আশা করি একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে সত্য সামনে আসবে।'' এদিন জানা গেল মেসি-কাণ্ডে নতুন করে এফআইআর করা হয়েছে। খুব দ্রুতই জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়া শুরু হবে।















