আজকাল ওয়েবডেস্ক: কোনও সেলিব্রিটি সম্পর্ককে ঘিরে কিছু ঘটনা ঘটলে ছবি মুছে ফেলা, আকারে-ইঙ্গিতে স্ট্যাটাস দিয়ে কিছু বোঝানো নতুন কিছু নয়। ডিজিটাল যুগে বহুদিন ধরেই এই ঘটনা ঘটে আসছে।
ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের তারকা স্মৃতি মান্ধানা ও সঙ্গীত পরিচালক পলাশ মুছলের বিয়ে ভেস্তে যাওয়ার পর থেকেই তাঁদের সম্পর্কের ভাঙন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে।
পলাশের বিরুদ্ধে মান্ধানাকে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠলেও, সেই দাবি বারবার অস্বীকার করেছেন তিনি। তবে এবার এক চমকপ্রদ ঘটনায় জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।
ইনস্টাগ্রাম থেকে দীর্ঘদিনের সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কের সমস্ত ছবি ও স্মৃতি মুছে ফেলেছেন পলাশ মুছল। রবিবার পলাশের প্রোফাইলে এই পরিবর্তন আচমকাই নজরে আসে অনুরাগীদের।
এতদিন পলাশের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে তাঁর এবং স্মৃতির একাধিক ছবি, জন্মদিনের শুভেচ্ছাবার্তা, একসঙ্গে কাটানো ছুটির মুহূর্তের ঝলক দেখা যেত। সম্প্রতি পাঁচ বছর একসঙ্গে থাকার উদযাপনও করেছিলেন তাঁরা।
কিন্তু হঠাৎ করেই সেই সব ছবি উধাও হয়ে যাওয়ায় অনেকেই এটাকে সম্পর্ক ভাঙনের স্পষ্ট ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন। সূত্রের দাবি, পলাশের প্রোফাইল থেকে এক ডজনেরও বেশি ছবি যার মধ্যে জন্মদিনের পোস্ট থেকে শুরু করে ভ্রমণের স্মৃতি সবই মুছে ফেলা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, ইনস্টাগ্রামে একে অপরকে আনফলোও করেছেন স্মৃতি ও পলাশ। এই মুহূর্তে স্মৃতি মান্ধানা বা পলাশ মুছল কেউই তাঁদের সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেননি।
গত নভেম্বর মাসে বিয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েও ঠিক কী কারণে তাঁদের সম্পর্ক ভেঙে গেল, তা প্রকাশ্যে আসেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া যাচাই না করা প্রতারণার গুজবকেই এই ‘ইনস্টাগ্রাম ক্লিয়ার’-এর অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারতীয় মহিলা দলের সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই সংযত। পলাশ মুছলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই ছিল মাঠের বাইরের জীবনের বিরল ঝলক।
গ্ল্যামার ও প্রকাশ্য সম্পর্কের দুনিয়ায় ইনস্টাগ্রাম থেকে সব স্মৃতি মুছে ফেলার এই পদক্ষেপকে অনেক সময়ই ‘পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন’-এর ইঙ্গিত বলে মনে করছেন অনেকে।
সম্প্রতি সঙ্গীত পরিচালক ও গায়ক পলাশ মুছল-কে নিয়ে বেশ বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভারতের মহিলা ক্রিকেট তারকা স্মৃতি মান্ধানার সঙ্গে তাঁর বিয়ে বাতিল হওয়ার খবরের পর এবার তিনি এক নতুন আইনি জটিলতায় জড়িয়েছেন।
একজন মারাঠি অভিনেতা ও প্রযোজক অভিযোগ করেছেন যে, পলাশ তাঁর কাছ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এই অভিযোগের পাল্টা জবাব দিতে পলাশ এখন কড়া আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।
তিনি ওই প্রযোজকের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার একটি মানহানির মামলা ঠুকে দিয়েছেন। শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পলাশ লেখেন, ‘আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য করা এই মিথ্যা এবং আপত্তিকর অভিযোগের জন্য আমার আইনজীবী শ্রেয়াংশ মিথারের মাধ্যমে সাংলি-র ওই বাসিন্দাকে ১০ কোটি টাকার মানহানির নোটিশ পাঠানো হয়েছে।’ পলাশের দাবি, তাঁর চরিত্রে দাগ লাগানোর জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে এই ধরনের ভিত্তিহীন কথা ছড়ানো হচ্ছে।
