আজকাল ওয়েবডেস্ক: পাকিস্তানের ব্যাটিং অলরাউন্ডার ইরফান খান সম্প্রতি ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ঘটনায় চর্চায় উঠে এসেছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গাড়ির সামনের আসনে বসে থাকা ইরফান সিটবেল্ট না পরেই যাত্রা করছিলেন।
সেই সময়ে এক ট্রাফিক পুলিশ গাড়ির কাছে এসে তাঁকে সিটবেল্ট না পরার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন এবং মজার ছলে প্রশ্ন করেন, নিয়ম ভাঙার জন্য তাঁকে জরিমানা করা উচিত কি না। পরে বুঝতে পারেন গাড়িতে রয়েছেন পাকিস্তান জাতীয় দলের এক ক্রিকেটার। সেটা বুঝে ওঠার পরই পরিস্থিতি হয়ে রসিকতাপূর্ণ।
ওই পুলিশ সদস্য ইরফানের কাছে তাঁর পাকিস্তান সুপার লিগের দল হায়দরাবাদ কিংসম্যানের পারফরম্যান্স সম্পর্কেও জানতে চান।
ইরফান খান এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের হয়ে ৯টি ওয়ানডে ও ১৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।
এদিকে, পিএসএলের ফাইনালে দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে অ্যারন হার্ডি পেশোয়ার জালমিকে ২০১৭ সালের পর প্রথম শিরোপা এনে দেন।
Pakistan cricketer Irfan Khan Niazi was stopped by a traffic warden for not wearing a seat belt, where the two later shared a light-hearted conversation about cricket. #TOKSports #IrfanKhanNiazi pic.twitter.com/DGn7HcCniK
— TOK Sports (@TOKSports021)Tweet by @TOKSports021
পেশোয়ার জালমি ফাইনালে ৫ উইকেটে হারায় নবাগত হায়দরাবাদ কিংসমেনকে।
লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদ ১৮ ওভারে ১২৯ রানে অলআউট হয়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন সাইম আয়ুব। বল হাতে অ্যারন হার্ডি নেন ৪ উইকেট।
১৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে পেশোয়ার।
দলীয় ৪০ রানেই ফিরে যান টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক বাবর আজম, মহম্মদ হ্যারিস, কুশল মেন্ডিস ও মাইকেল ব্রেসওয়েল। তবে এরপর হার্ডি ৩৯ বলে অপরাজিত ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন।
তাঁকে দারুণ সঙ্গ দেন আবদুল সামাদ। দু'জনের ৮৫ রানের জুটিতে ১৫.২ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে পেশোয়ার।
টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন বাবর আজম। দু'টি সেঞ্চুরি-সহ তিনি মোট ৫৮৮ রান করে ফকর জামানের এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড স্পর্শ করেন।
ফাইনালে হায়দরাবাদ শুরুটা ভাল করলেও দ্রুত ছন্দ হারায়। অধিনায়ক মারনাস লাবুশেন ২০ রান করে আউট হন।
পরে উসমান খান, ইরফান খান ও কুশল পেরেরা দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে দলটি।
এছাড়া গ্লেন ম্যাক্সোয়েল শূন্য রানে আউট হন। বল হাতে পেশোয়ারের হয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখেন নাহিদ রানা ও সুফিয়ান মোকিম।
প্রথম চার ম্যাচ হারলেও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছয় হায়দরাবাদ কিংসম্যান। প্লে-অফে তারা প্রাক্তন চ্যাম্পিয়ন মুলতান সুলতানস এবং ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে হারিয়ে চমক দেখায়।















