আজকাল ওয়েবডেস্ক: ব্যালন ডি' অরে যে এত চমক লুকিয়ে ছিল তা কে জানত! সবাই ধরেই নিয়েছিলেন লামিন ইয়ামালের হাতে উঠবে ব্যালন ডি অর পুরস্কার। কিন্তু সবাইকে কার্যত অবাক করে দিয়ে ব্যালন ডি অর পুরস্কার উঠল দেম্বেলের হাতে। দেম্বেলের হাতে ব্যালন ডি ওঠার ফলে অপেক্ষা বাড়ল লামিন ইয়ামালের। তাঁকে পিছনে ফেলে দিয়ে প্রথমবার সেরা হলেন ২৮ বছর বয়সী এই ফরাসি উইঙ্গার মহিলাদের মধ্যে ব্যালন ডি’অর পান স্পেনের আইতানা বোনমাতি। তিনে তিন করলেন তিনি।

সোমবার রাতে প্যারিসের থিয়াত্র দ্যু শাতলেতে জমকালো অনুষ্ঠান হয় ব্যালন ডি অরেররোনাল্ডিনহোর হাত থেকে দেম্বেলে পুরস্কার গ্রহণ করেন। মেসি-রোনাল্ডোর সময় শেষ। এখন অপেক্ষাকৃত তরুণ ফুটবলারদের পালা।

দেম্বেলের হাতে পুরস্কার ওঠার দিনে তাঁর পাশে ছিলেন না কোচ লুইস এনরিকে। ছিলেন না তাঁর সতীর্থরা। ঘটনা হল, মার্সেইয়ের বিরুদ্ধে পিএসজি-র স্থগিত হয়ে যাওয়া লিগ ম্যাচ থাকার জন্য দেম্বেলের সতীর্থরা উপস্থিত থাকতে পারেননি অনুষ্ঠানে। চোট ছিল দেম্বেলের। তিনি খেলার মতো জায়গায় ছিলেন না। তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেম্বেলে পিএসজি সভাপতি নাসের আল খেলাইফি ছিলেন অনুষ্ঠানে

আরও পড়ুন: জোড়া নিম্নচাপের সাঁড়াশি আক্রমণ, পুজোর আগেই আরও ভয়াবহ হবে কলকাতার পরিস্থিতি! ভয় ধরাচ্ছে হাওয়া অফিসের আপডেট

২০২৪-২৫-পিএসজি-র হয়ে চারটি খেতাব জেতেন দেম্বেলেচ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতে পিএসজি। তার অন্যম নায়ক ছিলেন দেম্বেলেএছা়ড়াও লিগ ওয়ান, ফরাসি কাপ ও ফরাসি সুপার কাপও জেতেনক্লাব বিশ্বকাপ জিততে অবশ্য পারেননি ফাইনালে চেলসির কাছে হার মানতে হয়৫৩ ম্যাচে ৩৫টি গোল ও ১৬টি অ্যাসিস্টের মালিক দেম্বেলেন তিনি।

দেম্বেলেইয়ামালের মধ্যে লড়াইটা ছিল। স্প্যানিশ তারকা ৫৫ ম্যাচে ১৮টি গোল ও ২৫টি অ্যাসিস্ট করেন। তিনি আবার লা লিগা, কোপা দেল রে ও স্প্যানিশ সুপার কাপ েতেন। তবুও ব্যালন ডি অর ওঠে দেম্বেলের হাতে।

ফ্রান্স ফুটবল’ ম্যাগাজিনের উদ্যোগে ১৯৫৬ সাল থেকে দেওয়া ব্যালন ডি'অর। বছরের সেরা পারফরমারের হাতে ওঠে পুরস্কার। প্রাথমিকভাবে সাংবাদিকদের ভোটে নির্ধারিত হয় সংক্ষিপ্ত তালিকা। পরে নির্দিষ্ট দেশগুলোর নির্বাচিত সাংবাদিকদের ভোটে ঠিক হয় বিজয়ী

ব্যালন ডি' অর জেতার পরে কেঁদে ফেলেন দেম্বেলে। তিনি বলেছেন, ''আমি কাঁদতে চাইনি। কিন্তু পরিবার ও যাঁরা আমার পাশে ছিলেন, তাঁদের কথা বলতে গিয়ে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি''

এক নজরে ব্যালন ডি’অর ২০২৫-

ব্যালন ডি’অর (পুরুষ): উসমান দেম্বেলে (পিএসজি, ফ্রান্স)

ব্যালন ডি’অর (মহিলা): আইতানা বোনমাতি (বার্সেলোনা, স্পেন)

ইয়াসিন ট্রফি (পুরুষ): জিয়ানলুইঘি দোনারুম্মা (ম্যানচেস্টার সিটি, ইতালি)

ইয়াসিন ট্রফি (মহিলা): হান্না হাম্পটন (চেলসি, ইংল্যান্ড)

জোহান ক্রুয়েফ ট্রফি (পুরুষ): লুইস এনরিকে (পিএসজি)

জোহান ক্রুয়েফ ট্রফি (মহিলা): সারিনা ভিগমান (ইংল্যান্ড)

কোপা ট্রফি (পুরুষ): লামিনে ইয়ামাল (বার্সেলোনা)

কোপা ট্রফি (মহিলা): ভিকি লোপেজ (বার্সেলোনা, স্পেন)

বর্ষসেরা ক্লাব (পুরুষ): পিএসজি

বর্ষসেরা ক্লাব (মহিলা): আর্সেনাল

গার্ড মুলার ট্রফি (পুরুষ): ভিক্টর ইয়োরকেরেস (আর্সেনাল, সুইডেন)

গার্ড মুলার ট্রফি (মহিলা): এয়া পাজোর (বার্সেলোনা, পোল্যান্ড)

সক্রেটিস অ্যাওয়ার্ড: জানা ফাউন্ডেশন

আরও পড়ুন: একটি ঘটনাই বদলে দেয় ইস্টবেঙ্গলকে, কবে থেকে খেতাব জয়ের স্বপ্ন দেখা শুরু বিনোর?