সম্পূর্ণা চক্রবর্তী: মাত্র ২৪ ঘন্টা আগেই একদিনের ক্রিকেটে শতরানের নিরিখে শচীন তেন্ডুলকরকে ছাপিয়ে গিয়েছেন বিরাট কোহলি। তাতে একই সঙ্গে আনন্দের সাগরে ভাসার পাশাপাশি বিষাদের সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন আসলাম চৌধুরী, ওরফে "ব্যাটম্যান।" ইনি মার্কিন কমিকসের চরিত্র নন, ইনি শচীন তেন্ডুলকর, বিরাট কোহলির "ব্যাটম্যান"।
মুম্বইয়ের বাসিন্দা ৬৭ বছরের আসলাম ক্রিকেট সার্কিটে এই নামেই পরিচিত। মেট্রো সিনেমার কাছে ধোবি তালাওয়ে ১৯২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এম.আশরাফ ব্রাদার্সের মালিক এই বৃদ্ধ। মুম্বইয়ে কোনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ থাকলেই ডাক পড়ে আসলাম ভাইয়ের। থলিতে ছেনি হাতুড়ি নিয়ে তিনি হয় পৌঁছে যান টিম হোটেলে কিংবা পাভিলিয়নে। শচীন তেন্ডুলকর তাঁর মেরামত করা ব্যাট ছাড়া কোনওদিন খেলতেন না। বিরাট কোহলিও তাই। কোহলির হাতে গতকাল যে ব্যাট শোভা পেয়েছে, যে ব্যাটে ৫০তম শতরান করেন, তাতে ছোঁয়া আছে এই ব্যাটম্যানের। সেই কারণেই আজ তাঁর এক চোখে জল, অন্য চোখে বিষাদ। আসলাম বলেন, "বড় ক্রিকেটারদের ব্যাটে কোনও সমস্যা হলে এখানেই আসে। শচীন নিজের ব্যাট মেরামতের জন্য সবসময় আমাকেই ডাকত। কোহলিও তাই। ও দিল্লির ক্রিকেটার, প্রাথমিকভাবে ওখান থেকেই ব্যাট মেরামত করত। কিন্তু শচীনের থেকে আমার কথা জানার পর, আমার থেকেই ব্যাট ঠিক করায়। এত কাছে পৌঁছে শচীনের রেকর্ড ভাঙাটাই স্বাভাবিক। আমার একদিকে খারাপ লেগেছে। আবার বিরাটের জন্য আনন্দও হয়েছে। যেভাবে খেলছে, একদিন না একদিন এটা হওয়ারই ছিল। তাছাড়া শচীন নিজেও বলেছিল, কোনও ভারতীয় তাঁর রেকর্ড ভাঙলে খারাপ লাগবে না। তাই আমিও সেভাবেই ভাবার চেষ্টা করছি।"
এম আশরাফ ব্রাদার্সে একটি পাঁচ টনের ইলেকট্রিক কনভেয়ার ফ্লাইহুইল ছাড়া বাকি সবই হাতের কারিকুড়ি। আসলাম নিজে হাতে ব্যাট বাঁধেন। শচীন তেন্ডুলকর কিংবা বিরাট কোহলির সেঞ্চুরিতে তাই তাঁর পরোক্ষ অবদান থাকে। কিন্তু দুই মহারথীর কাউকেই কখনও তাঁর দোকানে বা কারখানায় আনেননি আসলাম। কারণ, ওরা এলে দোকান উপচে পড়বে ভিড়ে। একবার আইপিএলের সময় লাসিথ মালিঙ্গা এসেছিলেন। তাতেই ভিড় সামলাতে পারেননি আসলাম। শচীন বা বিরাট এলে তো জনবিস্ফোরণ হবে। তাই সবসময় তাঁদের ডাকেই ছুটে গিয়েছেন। ব্যাটে কিছু হলেই তাঁর ডাক পড়ত বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্সে। সেখানে দুই মহাতারকার সঙ্গে সাক্ষাৎ হত। তাঁর দোকানে না এলেও বিশ্বক্রিকেটের দুই মহারথীর ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে ডাক পান মুম্বইয়ের "ব্যাটম্যান।" দশ বছর আগে ক্রিকেট ছাড়ার পর একটি বিদায়ী পার্টি দিয়েছিলেন শচীন। সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন আসলাম। দোকানে মাস্টার ব্লাস্টারের সঙ্গে ছবিও আছে। কোভিডে হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন ফোনে খবর নেন বিরাট। ক্রিকেটীয় নিরিখে দু"জনের মধ্যে কাউকে বাছতে পারেননি। কারণ দু"জনের ব্যাটেই যে তাঁর শিল্পকর্ম জড়িত। তবে মানুষ হিসেবে শচীনকে এগিয়ে রাখলেন ব্যাটম্যান।
মুম্বইয়ের বাসিন্দা ৬৭ বছরের আসলাম ক্রিকেট সার্কিটে এই নামেই পরিচিত। মেট্রো সিনেমার কাছে ধোবি তালাওয়ে ১৯২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এম.আশরাফ ব্রাদার্সের মালিক এই বৃদ্ধ। মুম্বইয়ে কোনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ থাকলেই ডাক পড়ে আসলাম ভাইয়ের। থলিতে ছেনি হাতুড়ি নিয়ে তিনি হয় পৌঁছে যান টিম হোটেলে কিংবা পাভিলিয়নে। শচীন তেন্ডুলকর তাঁর মেরামত করা ব্যাট ছাড়া কোনওদিন খেলতেন না। বিরাট কোহলিও তাই। কোহলির হাতে গতকাল যে ব্যাট শোভা পেয়েছে, যে ব্যাটে ৫০তম শতরান করেন, তাতে ছোঁয়া আছে এই ব্যাটম্যানের। সেই কারণেই আজ তাঁর এক চোখে জল, অন্য চোখে বিষাদ। আসলাম বলেন, "বড় ক্রিকেটারদের ব্যাটে কোনও সমস্যা হলে এখানেই আসে। শচীন নিজের ব্যাট মেরামতের জন্য সবসময় আমাকেই ডাকত। কোহলিও তাই। ও দিল্লির ক্রিকেটার, প্রাথমিকভাবে ওখান থেকেই ব্যাট মেরামত করত। কিন্তু শচীনের থেকে আমার কথা জানার পর, আমার থেকেই ব্যাট ঠিক করায়। এত কাছে পৌঁছে শচীনের রেকর্ড ভাঙাটাই স্বাভাবিক। আমার একদিকে খারাপ লেগেছে। আবার বিরাটের জন্য আনন্দও হয়েছে। যেভাবে খেলছে, একদিন না একদিন এটা হওয়ারই ছিল। তাছাড়া শচীন নিজেও বলেছিল, কোনও ভারতীয় তাঁর রেকর্ড ভাঙলে খারাপ লাগবে না। তাই আমিও সেভাবেই ভাবার চেষ্টা করছি।"
এম আশরাফ ব্রাদার্সে একটি পাঁচ টনের ইলেকট্রিক কনভেয়ার ফ্লাইহুইল ছাড়া বাকি সবই হাতের কারিকুড়ি। আসলাম নিজে হাতে ব্যাট বাঁধেন। শচীন তেন্ডুলকর কিংবা বিরাট কোহলির সেঞ্চুরিতে তাই তাঁর পরোক্ষ অবদান থাকে। কিন্তু দুই মহারথীর কাউকেই কখনও তাঁর দোকানে বা কারখানায় আনেননি আসলাম। কারণ, ওরা এলে দোকান উপচে পড়বে ভিড়ে। একবার আইপিএলের সময় লাসিথ মালিঙ্গা এসেছিলেন। তাতেই ভিড় সামলাতে পারেননি আসলাম। শচীন বা বিরাট এলে তো জনবিস্ফোরণ হবে। তাই সবসময় তাঁদের ডাকেই ছুটে গিয়েছেন। ব্যাটে কিছু হলেই তাঁর ডাক পড়ত বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্সে। সেখানে দুই মহাতারকার সঙ্গে সাক্ষাৎ হত। তাঁর দোকানে না এলেও বিশ্বক্রিকেটের দুই মহারথীর ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে ডাক পান মুম্বইয়ের "ব্যাটম্যান।" দশ বছর আগে ক্রিকেট ছাড়ার পর একটি বিদায়ী পার্টি দিয়েছিলেন শচীন। সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন আসলাম। দোকানে মাস্টার ব্লাস্টারের সঙ্গে ছবিও আছে। কোভিডে হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন ফোনে খবর নেন বিরাট। ক্রিকেটীয় নিরিখে দু"জনের মধ্যে কাউকে বাছতে পারেননি। কারণ দু"জনের ব্যাটেই যে তাঁর শিল্পকর্ম জড়িত। তবে মানুষ হিসেবে শচীনকে এগিয়ে রাখলেন ব্যাটম্যান।
















