আজকাল ওয়েবডেস্ক: লিস্টন কোলাসোর ওই ডান পায়ের শটে কেঁপে গেল জামশেদপুরের জাল। ওরকম গোল দেখার জন্যই বহুদূর থেকে ছুটে আসা যায়। 

জামশেদপুরের সানানও প্রায় একই জায়গা থেকে একই রকম শট নিয়েছিলেন। সেই শট মোহনবাগান গোলকিপার বিশাল কাইথ বের করে দেন। শানন গোলটি করতে পারলে সেটিও দর্শনীয় গোল হত। জামশেদপুরও সমতা ফিরিয়ে আনতে পারত। কিন্তু জামশেদপুরকে গোলের জন্য় অপেক্ষা করে থাকতে হল খেলার শেষ পর্যন্ত। ঋত্বিক দাসের হেডে সমতা ফেরাল জামশেদপুর।

মোহনবাগান স্কুলে খুদে ফুটবলারদের জন্য ট্রায়ালের বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। সেখানে ট্রায়াল দিয়ে পেয়েও গিয়েছিলেন ঋত্বিক। মোহনবাগান স্কুলে তিনি ছিলেন দু'বছর। শঙ্করলাল চক্রবর্তীর অধীনে ফুটবল শিখতেন ঋত্বিক। সেই ঋত্বিক থামিয়ে দিলেন সবুজ-মেরুনকে। এদিন পরিবর্ত হিসেবে নেমেছিলেন আসানসোলের ছেলেটি। সুপার সাব জামশেদপুরকে এনে দিল পয়েন্ট। মোহনবাগানের থেকে কেটে নিল পয়েন্ট।  

দিনের শেষে খেলার ফলাফল মোহনবাগান ১ জামশেদপুর ১। তবে গোল সংখ্যা আরও বাড়াতেই পারত  মোহনবাগান। পরিবর্ত হিসেবে নামা পেত্রাতোস সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। আবার জামশেদপুরও গোল করার মতো পরিস্তিতি তৈরি করেছিল।  

জামশেদপুর কঠিন প্রতিপক্ষ। তার উপরে ঘরের মাঠের সমর্থন ছিল। সেটাই বোঝা গেল। শেষ মিনিট পর্যন্ত দাঁত কামড়ে লড়ে গেল জামশেদপুর। 
লিস্টন কোলাসো খেলার ১৫ মিনিটে গোল করে এগিয়ে দিয়েছিলেন। জামশেদপুর কিন্তু প্রথমার্ধে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াতে পারেনি। বিরতির ঠিক আগে সমতা  ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আবার জামশেদপুর চেষ্টা করেছিল। ঋত্বিক দাস একেবারে শেষ লগ্নে গোল করে মোহনবাগান কোচ সের্জিও লোবেরার মুখের হাসি কেড়ে নেন।