এখনকার দিনে বাজারে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই দেখা যায় একটি নীল রঙের চোখের মতো ডিজাইন খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
2
12
কেউ এটি ব্রেসলেট হিসেবে পরছেন, কেউ গলায় লকেট হিসেবে ব্যবহার করছেন, আবার অনেকেই ফোন কভার, ব্যাগ বা ঘরের সাজেও ব্যবহার করছেন। এই প্রতীকটির নাম ‘ইভিল আই’।
3
12
বিশেষ করে জেন জি বা নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এই ‘ইভিল আই’-এর জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে।
4
12
‘ইভিল আই’ আসলে বহু পুরনো একটি বিশ্বাসের প্রতীক। অনেক দেশ ও সংস্কৃতিতে মনে করা হয়, মানুষের খারাপ নজর বা নেতিবাচক শক্তি থেকে রক্ষা করে এই চিহ্ন।
5
12
সাধারণত এটি নীল রঙের একটি চোখের মতো দেখতে হয়। তুরস্ক, গ্রিস, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বহু বছর ধরে এই প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
6
12
অনেকে বিশ্বাস করেন, এটি সৌভাগ্য আনে এবং জীবনে ইতিবাচক শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
7
12
তবে বর্তমানে এটি শুধু বিশ্বাসের বিষয় নয়, ফ্যাশনেরও অংশ হয়ে উঠেছে। এখনকার তরুণরা এমন জিনিস পছন্দ করেন, যা দেখতে স্টাইলিশ আবার আলাদা অর্থও বহন করে। ‘ইভিল আই’ ঠিক সেই জায়গাতেই জনপ্রিয় হয়েছে।
8
12
ছোট্ট একটি ব্রেসলেট বা ফোন কভারের ডিজাইনও এখন ব্যক্তিত্বের প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
9
12
সোশ্যাল মিডিয়াও এই ট্রেন্ড ছড়িয়ে দিতে বড় ভূমিকা নিয়েছে। ইনস্টাগ্রাম, পিন্টারেস্টে প্রায়ই সেলিব্রিটি ও ইনফ্লুয়েন্সারদের ‘ইভিল আই’ গয়না বা অ্যাকসেসরি ব্যবহার করতে দেখা যায়। ফলে তরুণদের মধ্যেও এর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।
10
12
অনেক অনলাইন শপিং সাইটেও এখন বিভিন্ন ডিজাইনের ‘ইভিল আই’ পণ্য সহজেই পাওয়া যাচ্ছে।
11
12
বিশেষজ্ঞদের মতে, আজকের তরুণদের জীবনে মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা অনেক বেশি। তাই অনেকেই এমন কিছুতে বিশ্বাস রাখতে চান, যা তাদের মানসিকভাবে একটু স্বস্তি দেয়। ‘ইভিল আই’ অনেকের কাছে সেই নিরাপত্তা বা ইতিবাচকতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
12
12
তবে ‘ইভিল আই’-এর কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। এটি মূলত একটি সাংস্কৃতিক বিশ্বাস ও ফ্যাশন ট্রেন্ড। তবুও বিশ্বাস, স্টাইল এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভব-এই তিনের মিশ্রণে বর্তমানে জেন জি-র মধ্যে ‘ইভিল আই’-এর জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।