নাম ‘টাইরোম্যান্সি’। পনিরের গায়ের ফুটো আর ছাঁচের নকশা দেখেই নাকি বলে দেওয়া যায় প্রেম, অর্থ, ভ্রমণযোগ। হাতের রেখা, ট্যারো কার্ড রিডিং ভবিষ্যৎ জানার চেষ্টায় মানুষ কত কিছুই না করেছে। কিন্তু এক টুকরো পনির দেখে ভাগ্যগণনা?
2
7
শুনতে অবাক লাগলেও এমন বিদ্যা সত্যিই আছে। নাম ‘টাইরোম্যান্সি’। গ্রিক শব্দ ‘টুরোস’ (পনির) আর ‘মান্তেইয়া’ (গণনা) থেকে এই শব্দ এসেছে৷
3
7
টাইরোম্যান্সির শিকড় খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে। মধ্যযুগের কৃষিনির্ভর ইংল্যান্ডে এই চর্চা ছিল রীতিমতো জনপ্রিয়। গ্রামের তরুণীরা সম্ভাব্য পাত্রদের নাম খোদাই করতেন আলাদা আলাদা পনিরের টুকরোয়।
4
7
যে টুকরোয় প্রথম ছাতা পড়ত, তাকেই ভাবা হত ভাবী জীবনসঙ্গী! বিয়ে, সন্তান, ফসল, বৃষ্টি, এমনকি মৃত্যু সব কিছুর পূর্বাভাস খোঁজা হত পনিরের গায়ে।
5
7
পনিরের মধ্যে দেখা হয় আকৃতি, রেখা, ফাটল আর ছাঁচের নকশা। সুইস চিজ়ের ফুটোর সংখ্যা থেকে চলে সংখ্যাতত্ত্ব, ব্লু-চিজ়ের শিরায় ভেসে ওঠে নানা ছবি।
6
7
হৃদয়ের আকৃতি মানে প্রেম ও সুখ; বিজোড় সংখ্যক ফুটো মানে অশুভ কিছুর আশঙ্কা। গণকরা বলেন, শিরা-ভরা ব্লু-চিজ়ই নাকি সবচেয়ে ভালো ‘পাঠ্য’।
7
7
১৯০৯ সালে রাইডার-ওয়েট ট্যারো কার্ড আসার পর টাইরোম্যান্সি প্রায় হারিয়েই গিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি তা ফিরিয়ে এনেছেন শিকাগোর জেনিফার বিলক, যাঁকে লোকে ডাকে ‘কিচেন উইচ’ বা ‘চিজ় ক্লেয়ারভয়েন্ট’ নামে।