আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ একটা সময় টিমেই জায়গা হচ্ছিল না। কিন্তু সুযোগ পেয়েই একেবারে তিনটি ম্যাচে টানা অর্ধশতরান। ৯৭, ৮৯ ও ৮৯। প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইংল্যান্ড ও ফাইনালে নিউজিল্যান্ড। এই তিন ইনিংসই সঞ্জুকে টুর্নামেন্ট সেরার স্বীকৃতি দিয়েছে। এবার প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ দাবি করলেন, সঞ্জুকেই পরবর্তী টি–২০ অধিনায়ক করা হোক। 


এটা ঘটনা, দীর্ঘদিন রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক ছিলেন সঞ্জু। আগামী আইপিএলে তিনি খেলবেন চেন্নাইয়ে। অধিনায়ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কাইফের কথায়, টি–২০ ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব করার অভিজ্ঞতা রয়েছে স্যামসনের। কাইফের কথায়, ‘‌এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়, ভারতের পরবর্তী টি–২০ অধিনায়ক কে হবেন। তবে স্যামসন ভাল বিকল্প হতে পারে। সঞ্জুর মধ্যে অধিনায়ক হওয়ার সব গুণ রয়েছে।’‌ এরপরই কাইফ যোগ করেন, ‘‌সূর্য ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে আরও কয়েক বছর ওই থাকবে অধিনায়ক। ফিট থাকলে ৩৮–৩৯ অবধি খেলাই যায়। আর টি–২০ ক্রিকেটে কিন্তু অভিজ্ঞতার দরকার হয়। তবে সূর্য যদি নিজেই সরে যায় অধিনায়কত্ব থেকে, তাহলে কিন্তু সঞ্জু ভাল বিকল্প। আইপিএলে দীর্ঘদিন অধিনায়কত্ব করেছে। ২০২২ সালে সঞ্জুর নেতৃত্বে রাজস্থান ফাইনালে উঠেছিল। এখন বয়স ৩১। তাই জাতীয় দলের অধিনায়ক হওয়ার বয়স ওর মধ্যে রয়েছে।’‌


এটা ঘটনা, টি–২০ বিশ্বকাপে ৩২১ রান করেছেন সঞ্জু। গড় ৮০.‌২৫। স্ট্রাইক রেট ১৯৯.‌৩৭। ২৭টি চার ছাড়াও মেরেছিলেন ২৪ ছয়। টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সঞ্জুই। 

এদিকে, টিম ইন্ডিয়ার লক্ষ্য এখন ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তাই এখন থেকে জাতীয় দলের হয়ে বেছে বেছে ম্যাচ খেলবেন জসপ্রীত বুমরা। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত। 


সূত্রের খবর, ২০২৭ এর অক্টোবর–নভেম্বর অবধি দেশের হয়ে খুব বেশি টি–২০ খেলবেন না বুমরা। ফোকাস রাখবেন একদিনের ক্রিকেটে।


২০২৭ সালের অক্টোবর–নভেম্বর অর্থাৎ এই ১৮ মাসে ভারতের অনেকগুলি দ্বিপাক্ষিক টি–২০ সিরিজ রয়েছে। কিন্তু বিসিসিআই এখন একদিনের ক্রিকেটকেই বেশি গুরুত্ব দেবে। অবশ্য চলতি বছরেই জাপানে রয়েছে এশিয়ান গেমস। যেখানে টি–২০ ফর্ম্যাটে হবে খেলা। আবার ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে ফিরছে ক্রিকেট। সেখানেও খেলা হবে টি–২০ ফর্ম্যাটে। অলিম্পিক্সে অংশ নিতে চান অনেক ভারতীয় ক্রিকেটারই। সেটা নিয়ে কী হবে তা অবশ্য বলা যাচ্ছে না। কিংবা বুমরা এই দুই টুর্নামেন্টে খেলবেন কিনা স্পষ্ট নয়।