১. রক্তচাপ পরীক্ষা: উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন প্রায়ই কোনো লক্ষণ ছাড়াই থাকে। তাই ৩৫-এর পর অন্তত বছরে দুই থেকে তিনবার রক্তচাপ মেপে দেখা দরকার।
4
9
২. কোলেস্টেরল পরীক্ষা: ৩৫ বছর বয়স থেকে নারী পুরুষ উভয়ের নিয়মিত লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করানো উচিত। উচ্চ কোলেস্টেরলেরও কোনো বাহ্যিক লক্ষণ থাকে না, অথচ এটি হৃদরোগ ও স্ট্রোকের প্রধান কারণ।
5
9
৩. ডায়াবেটিস স্ক্রিনিং: ৩৫ বছর বয়স থেকে প্রি-ডায়াবেটিস ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের পরীক্ষা করানো শুরু করা উচিত। বিশেষত যাদের ওজন বেশি, রক্তচাপ আছে বা পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস রয়েছে, তাদের জন্য এই পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি।
6
9
৪. চোখের পরীক্ষা: দৃষ্টিশক্তি ঠিকঠাক মনে হলেও ৩৫-এর পর থেকে নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা করানো দরকার। গ্লুকোমা ও অন্যান্য চোখের সমস্যা অনেক সময় উপসর্গহীনভাবে বাড়তে থাকে।
7
9
৫. ত্বক পরীক্ষা: ত্বকে অস্বাভাবিক তিল বা দাগ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে।
8
9
৬. দন্ত পরীক্ষা: বছরে দুইবার দাঁতের পরীক্ষা ও স্কেলিং করানো উচিত। এতে কেবল দাঁত ভাল থাকবে তাই নয়, গবেষণায় দেখা গেছে মাড়ির রোগ হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের সঙ্গে সম্পর্কিত।
9
9
চিকিৎসকরা বলছেন, সুস্থ থাকলেও নিয়মিত এই পরীক্ষাগুলো করানো প্রয়োজন। বছরে একবার চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও জরুরি৷