আজকাল ওয়েবডেস্ক: আরও একটি মাইলস্টোন ছুঁলেন লিওনেল মেসি। ফুটবল জীবনে ৯০০তম গোল করে ফেললেন আর্জেন্টাইন তারকা। বুধবার কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপে ন্যাশভিলের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে ইন্টার মিয়ামি। দলের হয়ে একমাত্র গোল করেন মেসি। কিন্তু মিয়ামির ছিটকে যাওয়া বাঁচাতে পারেনি। অ্যাওয়ে গোলের পরিসংখ্যানে বিদায় নিল মিয়ামি। ম্যাচ শুরুর সাত মিনিট পর মাইলস্টোন গোল করেন মেসি। টুর্নামেন্টের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে মিয়ামিকে এগিয়ে দেন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। কিন্তু ৭৪ মিনিটে ক্রিশ্চিয়ান এসপিনোজার গোলে সমতা ফেরায় প্রতিপক্ষ। অ্যাওয়ে গোলের ভিত্তিতে কোয়ার্টার ফাইনালে চলে যায় ন্যাশভিলে। 

মেসির গোলের পর সেলিব্রেশন শুরু হয়ে যায় মিয়ামি শিবিরে। মাইলস্টোনের পাশাপাশি জয়ের আগাম আভাস পেতে শুরু করেছিল মিয়ামি। কিন্তু সেগুরে বালি। ২০২৩ সালে ফ্লোরিডায় যাওয়ার পর ৮১তম গোল করে ফেললেন মেসি। স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার হয়ে ৬৭২ গোল করেন। প্যারিস সাঁজার হয়ে করেন ৩২ গোল। আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর গোল সংখ্যা ১১৫। ২১ বছর আগে পেশাদার ফুটবলে প্রথম গোল করেন লিও। ২০০৫ সালে অ্যালবাসেতের বিরুদ্ধে ২-০ গোলে জেতে বার্সেলোনা। গোল করেন ১৭ বছরের মেসি। দুই দশকে পেরিয়ে যান ৯০০ গোল। তবে সার্বিক গোল সংখ্যায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো নাগালের বাইরে। আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে পর্তুগিজ তারকার ৯৬৫ গোল রয়েছে। 

মেসির কীর্তি সম্বন্ধে ময়ামির কোচ এবং প্রাক্তন সতীর্থ জেভিয়ার মাসচেরানো বলেন, 'আমি ওর বেশিরভাগ গোল দেখার সুযোগ পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। অনেক কাছে থেকে দেখেছি। ৯০০ গোল করা সহজ নয়। অবাক করার মতো সংখ্যা। সেই কারণেই লিও এই জায়গায়।' চেজ স্টেডিয়ামে এটাই শেষ ম্যাচ ছিল মিয়ামির। ২০২০ সালে মেজর সকার লিগে হাতেখড়ি হয় এমএলএসের ক্লাবের। সেই থেকে এটাই তাঁদের হোম গ্রাউন্ড। পরের মাস থেকে নিজেদের নতুন স্টেডিয়ামে খেলবে ইন্টার মিয়ামি। ২০২৮ সাল পর্যন্ত মিয়ামিতেই খেলবেন মেসি। চলতি বছর নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলবেন আর্জেন্টাইন তারকা।