আজকাল ওয়েবডেস্ক: এ শুধু খবর নয়, এক যোদ্ধার নতুন পরিচয়ের কাহিনি।

দেশের ক্রিকেটের  উজ্জ্বল নক্ষত্র রিঙ্কু সিং।  ব্যাট হাতে যিনি একদিকে ফিনিশার, অন্যদিকে  পাঁচ ছক্কায় জয় ছিনিয়ে নিতে পারেন। সেই তিনিই , এবার পেতে চলেছেন নতুন এক পরিচয়। উত্তর প্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে রিজিওনাল স্পোর্টস অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের হয়ে তাঁর কীর্তি, তাঁর যুদ্ধজয়ের স্বীকৃতি অবশেষে পাচ্ছেন রিঙ্কু। 

দেশের জার্সিতে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বজয়ী দলের সদস্য রিঙ্কু। 

রিঙ্কুর এই জয়ের পথ সহজ ছিল না। মাঠের বাইরেও চলছিল এক নিঃশব্দ লড়াই। তাঁর বাবার শরীরে বাসা বেঁধেছিল মারণ ক্যানসার। সেই ক্যানসারের কাছে হারতে হয় রিঙ্কুর বাবাকে। 
গ্রেটার নয়ডার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন রিঙ্কুর বাবা। একদিকে ন্যাশনাল ডিউটি। অন্যদিকে বাবার অসুস্থতা। বিশ্বকাপ চলাকালীনই তাঁর বাবার লড়াই থেমে যায়। ব্যথিত, যন্ত্রণাকাতর রিঙ্কু কিন্তু থেমে যাননি। 

উত্তর প্রদেশ সরকার ক্রীড়াবিদদের জন্য একটি বেশ মোটা অঙ্কের প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এই পরিকল্পনার অধীনে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে অসাধারণ কৃতিত্ব অর্জনকারী খেলোয়াড়দের সরকারি চাকরি, নগদ পুরস্কার এবং মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া সম্মানে ভূষিত করা হবে। রিঙ্কুর পাশাপাশি, প্যারিস অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পদকজয়ী ভারতীয় হকি দলের সদস্য রাজকুমার পালকেও ডিএসপি পদে নিয়োগ করা হবে। রাজকুমারের বাড়ি গাজীপুরে। রাজ্য সরকার মোট ছ'জন আন্তর্জাতিক পদকজয়ী ক্রীড়াবিদকে চাকরি দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ লোক ভবনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই খেলোয়াড়দের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন।