আজকাল ওয়েবডেস্ক: এ কি হাল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের! যে দল নিয়মিত বলে বলে ২০০ রানের গণ্ডি পার করে, তাঁরা কিনা মাত্র ৮৬ রানে অলআউট! এটাই আইপিএল। দুই ওপেনারই দু'অক্ষরের রানে পৌঁছতে পারেনি। খাতাই খুলতে পারেননি ট্রাভিস হেড। শূন্য রানে ফেরেন। ৬ করেন অভিষেক শর্মা। ১১ করেন ঈশান কিষাণ। টপ থ্রির ব্যর্থতায় কুপোকাত কামিন্সের দল। হায়দরাবাদের হয়ে সর্বোচ্চ রান প্যাট কামিন্সের। ১৯ করেন সানরাইজার্সের অধিনায়ক। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে পেসারদের দাপটে অসহায় আত্মসমর্পণ হায়দরাবাদের। তিনটে করে উইকেট নেন কাগিসো রাবাডা এবং জেসন হোল্ডার। জোড়া উইকেট প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর। শুভমন গিলদের ধারাবাহিকতা অব্যাহত। টানা পাঁচ ম্যাচে জয় গুজরাট টাইটানসের। শুরুটা ভাল হয়নি। কিন্তু পাঁচে পাঁচ করে তিন নম্বরে উঠে এল গুজরাট। ১১ ম্যাচে তাঁদের পয়েন্ট ১৪। প্লে অফে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত।
ম্যাচের শুরুটা আশা জাগানো হয়নি গুজরাটেরও। ব্যর্থ গিল। মাত্র ৫ রানে ফেরেন। রান পাননি জস বাটলারও। দলের দুই সেরা ব্যাটারের ব্যর্থতার দিন জ্বলে ওঠে তরুণ ব্রিগেড। অর্ধশতরান করেন সাই সুদর্শন। ৪৪ বলে ৬১ রান করেন। ইনিংসে ছিল ২টি ছয়, ৫টি চার। তাঁর ব্যাটে ভর করে দেড়শোর গণ্ডি পেরোয় গুজরাট। ২২ রান করেন নিশান্ত সিন্ধু। কিন্তু সাইকে সঙ্গত দেন ওয়াশিংটন সুন্দর। পাঁচ নম্বরে নেমে ৩৩ বলে ৫০ রান করেন। ইনিংসে ছিল ১টি ছয় এবং ৭টি চার। চতুর্থ উইকেটে ৬০ রান যোগ করে এই জুটি। তাঁদের ব্যাটে ভর করে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছয় গুজরাট। তবে আশা করা গিয়েছিল, অনায়াসেই জিতবে হায়দরাবাদ। কিন্তু অল্প রানের পুঁজি নিয়ে দুর্দান্ত লড়াই রাবাডা, হোল্ডারদের। গুজরাটের পেসারদের দাপটে একশোর গণ্ডিও পার করতে পারেনি সানরাইজার্স। ১৪.৫ ওভারে অলআউট হয়ে যায়। ৮২ রানে জেতে গুজরাট। এই হার পয়েন্ট টেবিলে প্রভাব না ফেললেও, রানরেট অনেকটাই কমে গেল হায়দরাবাদের।















