আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ রাজ্যের দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড় ও অনিল কুম্বলেকে সম্মানিত করল কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থা (কেএসসিএ)। এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের দু’টি স্ট্যান্ডের নামকরণ করা হল ভারতীয় দলের প্রাক্তন দুই অধিনায়ক ও কোচের নামে। একটি স্ট্যান্ডের নাম রাখা হয়েছে প্রাক্তন মহিলা ক্রিকেটার শান্তা রঙ্গস্বামীর নামে। নিজেদের রাজ্য সংস্থার দেওয়া সম্মানে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দ্রাবিড় এবং কুম্বলে।


কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থার সভাপতি ভেঙ্কটেশ প্রসাদ উদ্যোগী হয়েছিলেন চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের একটি স্ট্যান্ড দ্রাবিড় এবং কুম্বলের নামে করতে। সেই মতো টি–২০ বিশ্বকাপের মাঝেই নামকরণের কাজ সম্পূর্ণ হল। শুক্রবার নিজেদের নামের স্ট্যান্ড দু’টি উদ্বোধন করেন দ্রাবিড় এবং কুম্বলে। প্রসঙ্গত, এই বছর ৫০ বছর পূর্ণ হল বেঙ্গালুরুর এই স্টেডিয়ামের।


এটা ঘটনা, দ্রাবিড় এবং কুম্বলের সঙ্গে ভারতীয় দলে দীর্ঘদিন খেলেছেন প্রসাদ। তিনি কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থার সভাপতি হওয়ার পর দুই সতীর্থকে সম্মানিত করার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতীয় ক্রিকেটে তাঁদের অবদানকে স্বীকৃতি জানাতেই কেএসসিএ সভাপতির এই উদ্যোগ। শুক্রবারের অনুষ্ঠানে দ্রাবিড় বলেন, ‘এই মাঠটা আমার দ্বিতীয় বাড়ি। বাড়িতে যত সময় কাটিয়েছি, তার চেয়ে অনেক বেশি সময় সম্ভবত এই মাঠে কাটিয়েছি। এটা সেই জায়গা, যেটা আমাকে বহু আনন্দ দিয়েছে। আবার কষ্ট, হতাশাও দিয়েছে। তবে এই মাঠটাই আমায় সব কিছু দিয়েছে। এই মাঠই আমাকে আজ এই জায়গায় নিয়ে এসেছে। এমন একটা মুহূর্ত উপহার দেওয়ার জন্য কেএসসিএ–কে ধন্যবাদ দেওয়ার ভাষা নেই আমার। কারণ এই মাঠই তো আমার জীবন।’‌ খুশি কুম্বলেও। বলেছেন, ‘‌আমাদের সকলের অবদান মিলিয়ে যেমন কেএসসিএ গড়ে উঠেছে, তেমন কেএসসিএও আমাদের গড়ে তুলেছে। কার নাম কোন স্ট্যান্ডে বা স্টেডিয়ামের কোথায় লেখা রয়েছে, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। অবদান স্বীকৃতি পাওয়াটাই আসল। স্টেডিয়ামে স্থায়ীভাবে নাম লেখা হয়েছে। দ্রাবিড় এবং রঙ্গস্বামীর মতো দু’জন প্রাক্তনের সঙ্গে একইভাবে সম্মানিত হতে পেরে বেশি ভাল লাগছে। কর্নাটক এবং ভারতের ক্রিকেটে ওদের বিশাল অবদান রয়েছে।’ এটা ঘটনা, রঙ্গস্বামী ভারতের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে টেস্টে শতরান করেন।


এদিকে, কর্নাটক সরকার একদিন আগেই ছাড়পত্র দিয়েছে এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামকে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু আইপিএলের ঘরের ম্যাচ খেলতে পারবে এই স্টেডিয়ামে। গত বছর বিরাট কোহলিরা আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বিজয় উৎসবে দুর্ঘটনা ঘটেছিল। অতিরিক্ত ভিড়ের জন্য পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। মারা যান অন্তত ১১ জন। এই বিপর্যয়ের পর এই মাঠে আর খেলা হয়নি। অবশ্য আইপিএল করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যদিও আরসিবি এই মাঠে আর ফিরবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে সন্দেহ।