আজকাল ওয়েবডেস্ক: আইপিএলে টিকিটের কালোবাজারি নতুন নয়। বরাবর হয়ে আসছে। তবে এবারের বিষয়টি একটু আলাদা। কারণ এবার সরাসরি কালোবাজারির সঙ্গে যুক্ত এক কর্তার নাম উঠে এসেছে। দিল্লি ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের এক প্রভাবশালী কর্তার বিরুদ্ধে ১০০০ কমপ্লিমেন্টারি টিকিট ব্ল্যাকে বিক্রি করার অভিযোগ। তারমধ্যে কয়েকটি টিকিট ৮০,০০০ টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তারপরই দিল্লির কর্তার টিকিটের কালোবাজারিতে জড়িয়ে থাকার খবর প্রকাশ্যে আসে। দিল্লি ক্যাপিটালস এবং রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ম্যাচের টিকিট চড়া দামে বিক্রি হওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়।
স্টেডিয়ামের সামনে থেকে মুকিম (৩৫), গুফরান (৩৬) এবং মহম্মদ ফয়সাল (৩৮) নামক তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। কমপ্লিমেন্টারি টিকিট বিক্রি করতে দেখা যায় তাঁদের। তদন্তের পর পঙ্কজ যাদব নামক পেট্রোল পাম্পের একজন কর্মচারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের এক সূত্র জানায়, টিকিট কালোবাজারির মূলে ছিলেন দিল্লির ক্রিকেট সংস্থার এক কর্তা। শুক্রবার দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার চারজন কর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারমধ্যে দু'জন সিনিয়র অফিসার। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চলে।
দিল্লি পুলিশের সূত্র জানায়, 'খুব সন্তর্পণে একটা র্যাকেট চালানো হয়েছে। যার মাথায় ছিলেন দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার কর্তা। ম্যাচ, তারকাদের উপস্থিতি অনুযায়ী টিকিটের দাম নির্ধারিত করা হত। ম্যাচ এগিয়ে এলে, টিকিটের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হত। রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ম্যাচের আগে, বিরাট কোহলির জন্য একটা টিকিটের দাম বাড়িয়ে ৮০,০০০ করে দেওয়া হয়। টিকিটের চাহিদা অনুযায়ী দর কষা হত। সেটা ৮০০০ থেকে শুরু করে ৮০,০০০ এর মধ্যে।' দিল্লি পুলিশের রিপোর্টে জানা গিয়েছে, বিশাল দামে প্রত্যেক ম্যাচে প্রায় ১০০০ টিকিট বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে বিসিসিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী, স্থানীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ১০ থেকে ১৫ শতাংশ টিকিট স্থানীয় ক্রিকেট সংস্থাকে সরবরাহ করে।















