আজকাল ওয়েবডেস্ক: কেকেআরের কাছে হার মেনে আরও একবার ব্যর্থতার ছবি প্রকট করল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কেকেআর দুরন্ত লড়াই করে জয় তুলে নিল এবং সেই সঙ্গে প্লে-অফে ওঠার আশা এখনও বাঁচিয়ে রাখল। অন্যদিকে, অনেক আগেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হতাশার তালিকায় যোগ হল আরও একটি হার। ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল কলকাতা।
টস জিতে প্রথমে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠান কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে। শুরু থেকেই মুম্বইয়ের ব্যাটিংয়ে দেখা যায় চরম অনিশ্চয়তা। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। অভিজ্ঞ ওপেনার রোহিত শর্মা মাত্র ১৫ রান করে ফিরে যান। অপর ওপেনার রিয়াল রিকেলটন করেন মাত্র ৬ রান। মিডল অর্ডারেও কেউ সেভাবে লড়াই গড়ে তুলতে পারেননি।
মুম্বইয়ের হয়ে একমাত্র কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন করবিন বশ। দলের সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন তিনি। তবে কেকেআরের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয় মুম্বই। বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন সৌরভ দুবে, ক্যামেরন গ্রিন এবং কার্তিক ত্যাগী। প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট তুলে নেন। এছাড়াও অভিজ্ঞ স্পিনার সুনীল নারিন একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও শুরুটা ভালো হয়নি কেকেআরের। ভয়ঙ্কর মেজাজে থাকা ফিন অ্যালেন মাত্র ৮ রান করে ফিরে যান। অধিনায়ক রাহানে করেন ২১ রান। ক্যামেরন গ্রিনব্যাট হাতেও ব্যর্থ হয়ে ফেরেন মাত্র ৪ রানে। ৫৪ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় নাইট শিবির।
সেই সময় দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মণীষ পাণ্ডে এবং ক্যারিবিয়ান শক্তিশালী ব্যাটার রভম্যান পাওয়েল দু’জনে মিলে ৬৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। মণীষ পাণ্ডে ৪৫ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। তবে এই জুটি ভাঙেন মুম্বইয়ের তারকা পেসার জশপ্রীত বুমরাহ।
এর কিছুক্ষণ পরেই ম্যাচে দেখা যায় অসাধারণ এক মুহূর্ত। পাওয়েলের দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সকলকে চমকে দেন করবিন বশ। তাঁর সেই ফিল্ডিং মুহূর্ত অনেকেরই মনে করিয়ে দেয় কিংবদন্তি ফিল্ডার জন্টি রোডসকে। আউট হওয়ার আগে পাওয়েল করেন গুরুত্বপূর্ণ ৪০ রান।
১২৪ রানে পাঁচ উইকেট হারানোর পরে তেজস্বী সিং ডাগ আউটে ফেরেন মাত্র ১১ রান করে। রিঙ্কু ও অনুকূল রায় জয় এনে দেন কেকেআর-কে। এই জয়ের ফলে প্লে-অফে ওঠার আশা এখনও জিইয়ে রাখল কলকাতার দল। তবে তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে বাকিদের দিকে।















