আজকাল ওয়েবডেস্ক: পাঁচ ম্যাচে মাত্র এক জয়। পয়েন্ট টেবিলে সেকেন্ড লাস্ট বয়। আতশ কাঁচের নীচে হার্দিক পান্ডিয়া। পাঁচবারের আইপিএল জয়ীদের খারাপ শুরুর জন্য দায়ী করা হচ্ছে মুম্বইয়ের অধিনায়ককে। বৃহস্পতিবার ঘরের মাঠে পাঞ্জাব কিংসের কাছেও হারে হার্দিকের দল। টানা চার হার। মুম্বইয়ের একমাত্র জয় এসেছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে। এবার মুম্বইয়ের অধিনায়ক বদলের ডাক দিলেন মনোজ তিওয়ারি। হার্দিকের অধিনায়কত্বের সমালোচনা করেন। দাবি করেন, মুম্বইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তাঁর নেতৃত্ব নজর কাড়তে পারেনি। মনোজ বলেন, 'মুম্বইয়ের পারফরম্যান্সের দায় কে নেবে? নিজের দিকেও দেখতে হবে। তুমি নিজে কী করছো সেদিকেও নজর দিতে হবে। আমার মতে, এবার সাফল্য আসছে না বলে তার মানে এই নয় অন্যবারও ভুল হয় না। গোড়ায় গণ্ডগোল আছে। সেদিকে নজর দিতে হবে। ২০১৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত রোহিত শর্মা একাধিক আইপিএল দিয়েছে।'

বড় দাবি করে বসলেন মনোজ। বাংলার প্রাক্তন তারকা মনে করেন, মুম্বইয়ের উচিত রোহিতকে অধিনায়কত্ব ফিরিয়ে দেওয়া। মনোজ বলেন, '২০২৩ সালে ট্রফি আসেনি। ২০২৫ সালেও তাই। আবার ২০২৬ এ ট্রফি না পাওয়ারই সম্ভাবনা বেশি। আমার মনে হয় অধিনায়কত্ব দুর্বল। আমি কঠোর হতে পারি না। তবে যেভাবে হার্দিকের দল পরিচালনা করা উচিত ছিল, সেটা হচ্ছে না। প্রোঅ্যাক্টিভ ক্যাপ্টেন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আমার মতে, প্রয়োজন হলে হার্দিকের উচিত সরে গিয়ে নেতৃত রোহিতকে ফিরিয়ে দেওয়া। রোহিতকে অন্যায়ভাবে সরানো হয়েছিল।' জুনিয়র পান্ডিয়ার স্ট্র্যাটেজি নিয়েও প্রশ্ন তুললেন মনোজ। বিশেষ করে শেরফিন রুদারফোর্ডের আগে নামা নিয়ে। এছাড়াও ফর্মে না থাকা দীপক চাহারকে দিয়ে বোলিং ওপেন করানো নিয়ে সওয়াল করেন। মনোজ বলেন, 'পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে নিজেকে ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোট করার প্রয়োজন ছিল না। ১২ বলে ১৪ রান করে হার্দিক। রুদারফোর্ড মাত্র ৫ বল পায়। বেশি বল পেলে ৩-৪ টে ছয় মারতে পারত। এছাড়াও প্রথমটা না দিলে, বুমরাকে দ্বিতীয় ওভার দেওয়ার কোনও মানেই ছিল না।' 

এর আগেও হার্দিকের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরপর হারের জন্য হার্দিকের অধিনায়কত্বকে দায়ী করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। বিশেষ করে বেঙ্গালুরু ম্যাচে রজত পতিদারের বিরুদ্ধে বোলিং বিকল্প বাছাই নিয়ে। চোখে আঙুল দিয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়কের ভুল দেখিয়ে দেন। নিজের ইউ টিউব চ্যানেলে ম্যাচ বিশ্লেষণে ২০২৪ সালের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ম্যাচের উদাহরণ টানেন। সেই ম্যাচে মারকান্ডেকে এক ওভারে ছয় ছক্কা মারেন রজত পতিদার। স্পিনের বিরুদ্ধে আরসিবির নেতার রেকর্ড ভাল। বিশাল ছক্কা হাঁকাতে পারেন। তাসত্ত্বেও মারকান্ডেকে বল দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এই ভুলের খেসারত দিতে হয় মুম্বইকে। ১১তম ওভারে তাঁকে পরপর তিনটে ছয় মারেন। বদলে যায় ম্যাচের মোড়।