আজকাল ওয়েবডেস্ক: দুরন্ত অভিষেক শর্মা। আইপিএলে আরও একটি শতরান। মঙ্গলবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে মাত্র ৪৭ বলে শতরান করলেন। কোটিপতি লিগে তাঁর দ্বিতীয় শতরান। পরপর ছক্কা হাঁকিয়ে একশো রান সম্পূর্ণ করেন। এলিট তালিকায় বিরাট কোহলিকে যোগ দিলেন। ছাপিয়ে যান রোহিত শর্মাকে। ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টি-২০ শতরানের তালিকায় প্রবেশ করলেন অভিষেক। ৮টি শতরান ছিল রোহিতের। নবম শতরান করে কোহলিকে ছুঁয়ে ফেললেন ভারতীয় ওপেনার। এদিন দিল্লির বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই ঝড় তোলার চেষ্টা করেন। বিশ্বকাপে শুরুতেই অফ স্পিনারের বিরুদ্ধে একাধিকবার ব্যর্থ হন অভিষেক। শূন্যের হ্যাটট্রিক করেন। এদিনও শুরুতেই নীতিশ রানাকে আনেন অক্ষর প্যাটেল। কিন্তু এদিন অভিষেক তৈরি ছিলেন। সমস্ত ঢাল-তলোয়ার নিয়েই নামেন। ওপেন করতে নেমে অপরাজিত হয়ে ফেরেন। নামের পাশে ১৩৫ রান। ঝোড়ো ইনিংসে ছিল দশটি ছয় এবং চার। স্ট্রাইক রেট প্রায় দুশোর কাছাকাছি।
এদিন দু'বার জীবন ফিরে পান। একবার ক্যাচ ফস্কান নীতিশ রানা। তাঁর পূর্ণ ফায়দা তোলেন বাঁ হাতি ওপেনার। ২৫ বলে অর্ধশতরানে পৌঁছে যান। চলতি আইপিএলে তাঁর তৃতীয় শতরান। তবে তাঁর আন্দাজে তুলামূলকভাবে মন্থর। কিন্তু শতরানের পর ঝড় তোলেন। বাকি ২২ বলে একশোয় পৌঁছে যান। এদিন আরও একটি রেকর্ড করলেন অভিষেক। মঙ্গলবার রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে আর মাত্র ৫৯ রান করলেই এলিট তালিকায় প্রবেশ করার কথা ছিল বাঁ হাতি ওপেনারের। এদিন ১৩৫ রান করে ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে ২০০০ রান স্পূর্ণী করেন অভিষেক। সানরাইজার্সের হয়ে তাঁর ১৯৪১ রান ছিল। চতুর্থ প্লেয়ার হিসেবে হায়দরাবাদের হয়ে এই মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেললেন।
অভিষেক ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার, শিখর ধাওয়ান এবং কেন উইলিয়ামসন। তালিকায় একনম্বরে রয়েছে ওয়ার্নার। ৯৫ ম্যাচে তাঁর রান ৪০১৪। গড় ৪৯.৫৫। স্ট্রাইক রেট ১৪২.৫৯। ২৭৬৮ রান করে দ্বিতীয় স্থানে ধাওয়ান। তিন নম্বরে উইলিয়ামসন। তাঁর রান ২১০১। ধাওয়ানের পর দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে ২০০০ রানের গণ্ডি পেরোলেন অভিষেক। ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে ৮০টি ম্যাচ খেলেছেন ২৫ বছরের ব্যাটার। গড় ২৬.৯৫। স্ট্রাইক রেট ১৬৬.৮৯। নির্ধারিত ওভারের শেষে ২ উইকেটের বিনিময়ে ২৪২ রান তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৩৭ রান করেন ট্রাভিস হেড। ১৩ বলে ২৫ রান করে আউট হন ঈশান কিষাণ। শেষদিকে অভিষেকের সঙ্গে জুটি বেঁধে হায়দরাবাদকে প্রায় আড়াইশো রানের কাছাকাছি নিয়ে যান হেনরিচ ক্লাসেন। ১৩ বলে করেন ৩৭ রান। জয়ের জন্য ২৪৩ রান প্রয়োজন দিল্লির।















