আজকাল ওয়েবডেস্ক: একটা সময় দিল্লি-পাঞ্জাব ম্যাচটা ছিল একেবারেই সমানে-সমানে।
লোকেশ রাহুলের ১৫২ ও নীতীশ রানার ৯১ রানের সৌজন্যে দিল্লি ক্যাপিটালস তুলেছিল ২৬৪ রান। সেই রানও যে অতিক্রম করা যায় তা দেখিয়ে দিল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস। ২৬৪ রান তাড়া করতে নেমে ১৮.৫ ওভারে ম্যাচ জিতে নেয় পাঞ্জাব কিংস। রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন প্রিয়াংশ আরা ও প্রভসিমরন। ৬.৫ ওভারে পাঞ্জাব করে ফেলে ১২৬ রান। অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার ৭১ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ জিতিয়ে দেন পাঞ্জাবকে।
পরপর দুই ওভারে শ্রেয়াস আইয়ারের সহজ দুটি ক্যাচ মিস করেন বদলি ফিল্ডার করুণ নায়ার। তখন তিনি ছিলেন ২৮ ও ৩৫ রানে। এই জীবন ফিরে পাওয়া ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে যায়। আইয়ারের ৭১ রান ম্যাচের রং বদলে দেয়। আইপিএল ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়ে পাঞ্জাব। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়ায় জয়ের রেকর্ড।
এর আগেও এই রেকর্ড ছিল পাঞ্জাব কিংসের দখলে। ২০২৪ আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ২৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করে তারা জয় পেয়েছিল। এবার নিজেদের সেই রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে আরও একবার ইতিহাস লিখল তারা।
সব মিলিয়ে ব্যাটিং দাপট, ক্যাচ মিসের সুযোগ আর শ্রেয়স আইয়ারের অসাধারণ ইনিংস, সবকিছু মিলিয়ে এটি হয়ে থাকল আইপিএল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় এক ম্যাচ।
এর আগে লোকেশ রাহুল রেকর্ড গড়েছিলেন। আইপিএলে এখনও পর্যন্ত কোনও ভারতীয় ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর এটি।
অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ওপেন করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট করেন রাহুল। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ১৬টি চার ও ৯টি ছক্কা। মাত্র ৪৭ বলে ঝোড়ো সেঞ্চুরি করেন, যা আইপিএলে তাঁর কেরিয়ারের দ্রুততম সেঞ্চুরিও।
রাহুলের এই ইনিংসের উপর ভর করে দিল্লি ক্যাপিটালস তোলে ২ উইকেটে ২৬৪ রান। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।
এই ইনিংসের মাধ্যমে রাহুল ছাপিয়ে যান অভিষেক শর্মার ১৪১ রানের রেকর্ড। একইসঙ্গে টি-টোয়েন্টিতে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিকও এখন তিনিই।
তবে আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ইনিংসের তালিকায় এখনও শীর্ষে রয়েছেন ক্রিস গেইল (অপরাজিত ১৭৫) এবং ব্রেন্ডন ম্যাককালাম (অপরাজিত ১৫৮)। রাহুল কাছে গিয়েও সেই দূরেই থেকে গেলেন।















