আজকাল ওয়েবডেস্ক: চোটের কবলে ছিলেন তিনি। সেই পিভি সিন্ধুর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটে মালয়েশিয়া ওপেনে। গতবছরের অক্টোবরের পরে কোনও প্রতিযোগিতায় তিনি নামেননি। কিন্তু বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত হওয়া মালয়েশিয়া ওপেনে সেমিফাইনালে পৌঁছন পিভি সিন্ধু। এটাই প্রমাণ করছে এবারের প্রতিযোগিতায় সিন্ধু কিছু একটা করবেনই।
ইন্ডিয়া ওপেন ৭৫০-এর প্রথম ম্যাচের আগে সিন্ধু তাঁর রিহ্যাব সম্পর্কে বলেছিলেন, তিনি তাড়াহুড়ো করতে চান না। সিন্ধু বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ ও এশিয়ান গেমস আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে হয়তো হবে ভারত ও জাপানে।
সিন্ধু জানান, তাঁর পায়ের আঙুলের পেশিতে চিড় ধরেছে। পুরোদস্তুর ফিট হয়ে ফিরে আসতে তিনি ইচ্ছুক। তাড়াহুড়ো করে ৫০ শতাংশ ফিট হয়ে কোর্টে ফিরতে চান না।
এদিকে সিন্ধু মিডিয়ায় বলেছেন, ''ব্যাডমিন্টনে ফুটওয়ার্কই সব। সব সময়ে তৈরি থাকতে হয়। পুরোদস্তুর চোটহীন হয়ে একশো শতাংশ ফিট হতে চাই। পঞ্চাশ শতাংশ ফিট হয়ে নামা উচিত নয়। তাহলে চোট বাড়তে পারে। আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরতে পারে।''
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে রিহ্যাব করেন সিন্ধু। ওয়েন লোমবার্ডের সঙ্গে কাজ করেন তিনি। অলিম্পিকের আগে এবং অলিম্পিক চলাকালীন তিনি ওয়েন লোমবার্ডের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। চোটের পরে দু' মাস আগে ট্রেনিং শুরু করেন। সব ঠিকঠাকই চলছে।
সিন্ধু আরও বলেন, কোনও একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলেই ফোকাস করা নয়, বডি ম্যানেজমেন্ট এবং সুস্থ হয়ে ওঠার উপরে জোর দেওয়া দরকার। জিমে যাওয়ার থেকে পুরোদস্তুর সুস্থ হয়ে ওঠা অনেক বেশি জরুরি। রিহ্যাবের জন্য সিন্ধু আটলান্টায় গিয়েছিলেন বলে জানান।
ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে সিন্ধু ট্রেনিং শুরু করেন। প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল সৈয়দ মোদি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নামাই ছিল উদ্দেশ্য। তড়িঘড়ি করে কোর্টে নামতে চাননি। মালয়েশিয়া ওপেন সুপার ১০০০-এ প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল। সিন্ধু বলছেন, ''চোট সারিয়ে ফেরার পরে মালয়েশিয়া ওপেন ছিল আমার প্রথম প্রতিযোগিতা। প্রতিটা ম্যাচ নিয়ে ভেবে খেলতে নেমেছিলাম। শারীরিক দিক থেকে ঠিকঠাকই ছিলাম। একই রকম ছন্দ ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে চাই।'' আগস্টে ঘরের মাঠে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ, তার পরে রয়েছে এশিয়ান গেমস। ঘরের মাঠে হতে চলা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ সিন্ধুর কাছে স্পেশ্যাল। চাপ রয়েছে তবে ঘরের মাঠের কোর্টে খেলার মধ্যে অন্য একটা ব্যাপার রয়েছে।
