আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি–২০ বিশ্বকাপ শেষ। এবার আইপিএল। আর আইপিএল শেষ হলেই ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করে দেবে টিম ইন্ডিয়া। এমনটাই জানিয়েছে বিসিসিআই। দক্ষিণ আফ্রিকায় ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের আসর বসবে সেই ২০২৭ সালের শেষ দিকে। হাতে এখনও অনেক সময়। কিন্তু সময় নষ্ট করতে একেবারেই রাজি নয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।
টানা দু’বার টি–২০ বিশ্বকাপ জয়। ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়। কিন্তু ২০১১ সালের পর আর একদিনের বিশ্বকাপ জিততে পারেনি ভারত। ২০২৩ সালে ফাইনালে উঠেও হারতে হয়েছিল। তাই ২০২৭ বিশ্বকাপকে পাখির চোখ করেছে বিসিসিআই। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় বোর্ড নাকি বিভিন্ন দেশের বোর্ডকে জানিয়েছে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে একদিনের ম্যাচের সংখ্যা বাড়ানো হোক।
বিরাট ও রোহিত শুধু দেশের হয়ে একদিনের ক্রিকেটটাই খেলেন। আর তাই একদিনের ম্যাচের সংখ্যা বাড়লে বিরাট ও রোহিতেরই লাভ হবে। বিশ্বকাপের আগে ম্যাচ সংখ্যা বাড়বে দু’জনের।
আইপিএলের পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে টিম ইন্ডিয়া। এরপর ইংল্যান্ড যাবে ভারত। সেখানে তিনটি ওয়ানডে ও পাঁচটি টি–২০ খেলবে। ওই সফরেই আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও খেলবে ভারত। এর পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা বোর্ডের সঙ্গে কথা চালাচ্ছে বিসিসিআই। কারণ বাংলাদেশ সফরে ভারত যদি না যায়, সেক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সিরিজ খেলতে উৎসাহী তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও সিরিজ রয়েছে ভারতের। ইতিমধ্যেই নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড ওয়ানডে ম্যাচ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিসিসিআইকে।
কোহলি ও রোহিত অবশ্য এখন আইপিএল নিয়ে ব্যস্ত।
এদিকে, হোটেল বদল, অনুশীলনের সময়সূচি বদল। এবারের টি–২০ বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়া এরকম একাধিক কাণ্ড করেছে। সঙ্গে ভাগ্যও ছিল। আবার অনেকেই বলছেন, ভারতীয় দল নাকি কুসংস্কারাচ্ছন্ন ছিল।
কিন্তু কেন? যেমন সেমিফাইনালের আগে ভারত এক ঘণ্টা দেরিতে অনুশীলনে নেমেছিল। কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছিল চন্দ্রগ্রহণ। এমনকী ভারতীয় দল মুম্বইয়ে হোটেলও পরিবর্তন করেছিল।
অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘বিমানে মুম্বই যাচ্ছিলাম ওয়াংখেড়েতে সেমিফাইনাল খেলার জন্য। তখন একজন বলল এবার অন্য হোটেলে থাকব। অনেক দলই এবার হোটেল পরিবর্তন করেছে। তাই আমরাও ভাবলাম হোটেল বদলেই দেখি না কী হয়।’
