আজকাল ওয়েবডেস্ক: সেঞ্চুরি পেলেন না যশস্বী জয়সওয়াল। শতরান থেকে ১৩ রান দূরে থামতে হল তাঁকে।
ভারত অধিনায়ক শুভমান গিল কিন্তু সেঞ্চুরি করলেন। প্রথম টেস্টের পরে দ্বিতীয় টেস্টেও ভারত অধিনায়কের ব্যাট থেকে এল সেঞ্চুরি।
প্রথম দিনের শেষে ভারতের রান ৫ উইকেটে ৩১০। প্রতম দিনের শেষে অপরাজিত রয়েছেন গিল (১১৪) এবং জাদেজা (৪১)।
রুটকে চার মেরে এদিন সেঞ্চুরি করেন গিল। তার পরে সেলিব্রেশনে মেতে ওঠেন ভারত অধিনায়ক। এটা শুভমানের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ। অধিনায়ক হিসেবে এটা তাঁর দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। যশস্বী জয়সওয়াল ও ঋষভ পন্থ ফিরে যাওয়ার পরে গিল ও রবীন্দ্র জাদেজা ভারতের ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন। দলের ভাঙন রোধ করেন তাঁরা দু'জনে। শুভমান গিলের ১১৪ রানের ইনিংসে রয়েছে ১২টি বাউন্ডারি। মহম্মদ আজহারউদ্দিনের পরে দ্বিতীয় ভারত অধিনায়ক হিসেবে ইংল্যান্ডের মাটিতে পরপর দুটো সেঞ্চুরি করলেন গিল।
এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল ইংল্যান্ড। শুরুতে লোকেশ রাহুল (২) ফিরে গেলেও যশস্বী ও করুণ নায়ারের জন্য চাপ অনুভব করেনি ভারত। করুণ নায়ার ভালই এগোচ্ছিলেন। কিন্তু কার্সের হঠাৎই লাফিয়ে ওঠা বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন করুণ (৩১)। এর পরে যশস্বী ও গিল ভারতীয় ইনিংসকে টেনে নিয়ে যান।
সেঞ্চুরি থেকে ১৩ রান আগেই থেমে গেলেন ভারতের বাঁ হাতি ওপেনার। তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে না পৌঁছলেও যশস্বী গড়লেন নতুন রেকর্ড।
জয়সওয়াল এদিন ফেরেন ৮৭ রানে। সেঞ্চুরি হাতছাড়া করলেও যশস্বীর ব্যাটে ভাঙল ৫১ বছরের পুরনো রেকর্ড। কী সেই রেকর্ড?
১৯৭৪ সালে এজবাস্টনে মাইক ডেনেসের ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৬৫ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন সুধীর নায়েক। এত দিন পর্যন্ত এজবাস্টনে কোনও ভারতীয় ওপেনারের এটাই ছিল সর্বোচ্চ রান। এদিন সুধীর নায়েকের রেকর্ড ভেঙে দিলেন যশস্বী। তিনি উঠে এলেন এক নম্বরে। সুধীর নেমে গেলেন দুই নম্বরে। পন্থ (২৫) মারতে গিয়ে ধরা পড়লেন ক্রলির হাতে। তার পরে এজবাস্টন জুড়ে কেবল শুভমান গিল। তিনি ও জাদেজা ৯৯ রান জো়ড়েন। এজবাস্টন টেস্টের দ্বিতীয় দিন ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা কী করেন সেটাই দেখার।
















