আজকাল ওয়েবডেস্ক: আইপিএলের বাকি দলগুলিকে সতর্ক করে দিলেন শুভমান গিল। গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক বলেই দিয়েছেন, তিনি দলের পেসারদের একদমই শান্ত দেখতে চান না।
দলের হেড কোচ এবার আশিস নেহরা। যিনি খেলোয়াড় জীবনে বরাবরই আগ্রাসী ছিলেন। নেহরা চান, তাঁর দলের জোরে বোলারদের মধ্যে যেন সেই আগ্রাসন থাকে। আর সেটাই জানিয়েছেন গিল। এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘আমি একদমই চাই না আমার দলের পেসাররা শান্ত থাকুক। আমি চাই নেহরা ভাইয়ের মতো তাদের মধ্যেও যেন আগ্রাসন থাকে।’
এটা ঘটনা গুজরাটের পেস বোলিং বেশ শক্তিশালী। দক্ষিণ আফ্রিকার কাগিসো রাবাদা আছেন। আছেন মহম্মদ সিরাজ। এছাড়া ইশান্ত শর্মা রয়েছেন। লুক উড, প্রসিধ কৃষ্ণা, অশোক শর্মা, জেসন হোল্ডাররাও আছেন। গতবার যেমন পার্পল ক্যাপ পেয়েছিলেন প্রসিধ। নিয়েছিলেন ২৫ উইকেট। গতবার মুম্বইয়ের কাছে হেরে ছিটকে গিয়েছিল গুজরাট। গিলের কথায়, ‘গতবারও আমরা ভাল খেলেছিলাম। ট্রফি জিততে পারিনি ঠিকই। কিন্তু উচ্চমানের ক্রিকেট খেলেছিলাম। এবার অবশ্য ছোটখাট ভুলগুলো শুধরে নিয়েছি।’ কোচ আশিস নেহরা বলেছেন, ‘আমরা নতুন বিশেষ কিছু করিনি। বেশি ভাবি না। ছেলেরা মাঠে খেলবে। আমি মাঠের বাইরে থাকব।’
আইপিএলে গুজরাটের প্রথম ম্যাচ ৩১ মার্চ। নিউ চন্ডীগড়ে খেলা পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে। যারা গতবার রানার্স হয়েছিল।
এদিকে, ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম আইপিএলে আদৌ খাটে? গতবারই এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। খোদ রোহিত শর্মাকে গতবার ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে খেলিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রোহিত ছিলেন বিরক্ত। এই তালিকায় এবাহ যোগ দিলেন অক্ষর প্যাটেল। দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক জানিয়েছেন, তিনি এই নিয়ম ব্যক্তিগত ভাবে সমর্থন করেন না। তবে নিয়ম মানতে আপত্তি নেই।
এটা ঘটনা, ২০২৩ সালে আইপিএলে চালু হয়েছিল ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম। পাঁচ পরিবর্তের তালিকা থেকে ম্যাচের যে কোনও সময় ক্রিকেটার বদলাতে পারে কোনও দল। ২০২৭ পর্যন্ত এই নিয়ম আইপিএলে থাকছে। অক্ষর জানিয়েছেন, এতে অলরাউন্ডারদের গুরুত্ব অনেক কমে গিয়েছে।
অক্ষর জানিয়েছেন, ‘আমি নিজে একজন অলরাউন্ডার। তাই এই নিয়ম পছন্দ নয়। আগে আমরা নির্দিষ্ট ভূমিকার জন্য (ব্যাটিং এবং বোলিং) অলরাউন্ডারদের বেছে নিতাম। এখন দলগুলো ব্যাটার বা বোলারদের বেছে নেয়। ওরা বলতেই পারে, কেন অলরাউন্ডার নেব দলে? নিজে অলরাউন্ডার হওয়ায় এই নিয়ম পছন্দ করি না। কিন্তু নিয়ম তো নিয়মই। সেটা মানতেই হবে। তবে ব্যক্তিগতভাবে এই নিয়ম পছন্দ নয়।’
