আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড ২০২৭ সালের ভারত-অস্ট্রেলিয়া বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির সূচি ও ভেন্যু ঘোষণা করেছে। গত বছরের নভেম্বর মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচ আয়োজন করার পর গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামকে একটি টেস্ট ম্যাচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কলকাতার গর্ব ইডেন গার্ডেন্সকে নয়।
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্ট ২১ জানুয়ারি নাগপুরে শুরু হবে। এরপর ২৯ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চেন্নাইয়ে দ্বিতীয় টেস্ট হবে। আট দিনের বিরতির পর তৃতীয় টেস্ট ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি গুয়াহাটিতে হবে। রাঁচিতে চতুর্থ টেস্টের বল গড়াবে ১৯ থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি। শেষ টেস্ট ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে আহমেদাবাদে শুরু হবে।
এই সূচি ঘোষণার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়। কলকাতা এবং মুম্বইয়ের মতো বড় ভেন্যুগুলোকে ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজের জন্য বেছে নেওয়া হয়নি। দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি এই প্রসঙ্গে বলেন, ''ইডেন গার্ডেন্সে বড় টেস্ট ম্যাচ হওয়া সবসময়ই দারুণ। সিএবি প্রেসিডেন্ট এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার হিসেবে আমি এখানে টেস্ট ম্যাচ আয়োজন করতে চাই। আমরা ইতিমধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট আয়োজন করেছি, তারপর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ এবং আইপিএল ম্যাচের আয়োজন করছি।''
তিনি আরও বলেন, ''ভারতের বিভিন্ন স্টেডিয়ামের মান খুবই ভাল। চেন্নাইয়ে টেস্ট হচ্ছে দেখে আমি খুশি আর গুয়াহাটি ও রাঁচির মতো ভেন্যুতেও ম্যাচ হচ্ছে, যেখানে সুযোগ-সুবিধা চমৎকার। ইডেনে যত ম্যাচ আয়োজন করার ইচ্ছা থাকুক না কেন, দেশের অন্য ভেন্যুগুলোকেও সুযোগ দিতে হবে।''
অন্যদিকে ভারতের প্রাক্তন স্পিনার ভেঙ্কটপতি রাজু মনে করেন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ আয়োজন করা হোক বড় বড় ভেন্যুতে। বাঁ হাতি স্পিনার বলেন, ''আমাদের সময়ে পাঁচটি টেস্ট ভেন্যু ছিল—কলকাতা, কানপুর, চেন্নাই, দিল্লি এবং মুম্বই। প্রতিটিরই নিজস্ব আকর্ষণ ছিল। আমার মনে হয়, আবার সেই ফরম্যাটে ফিরে যাওয়া উচিত।''
তিনি আরও বলেন, ''টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ম্যাচ আয়োজন করা ঠিক আছে, কিন্তু এই পাঁচটি টেস্ট কেন্দ্রে খেলা বিশেষ অভিজ্ঞতা। ইডেনের মতো মাঠে খেলা সত্যিই সম্মানের, কারণ সেখানে বিশাল দর্শক সমর্থন পাওয়া যায়।''
ইডেনেই সৌরভের নেতৃত্বে ভারত স্মরণীয় টেস্ট জিতেছে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। ইডেনের সবুজ ঘাসে লেখা ছিল রাহুল ও লক্ষ্মণের ব্যাটিং রূপকথা।















