আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে পাঁচ গোল লিও মেসির। আর তিনি একসময়ে মেসির সতীর্থ ছিলেন। দুরন্ত সব গোল করার জন্য বিখ্যাত তিনি। সেই তিনিও মেসির সাফল্যে গর্বিত। 

কে তিনি? তিনি জ্লাটান ইব্রাহিমোভিচ। অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে পেনাল্টি নষ্ট করেন মেসি। কিন্তু সাময়িক সেই ব্যর্থতা মেসিকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। ম্যাচে জোড়া গোল করে তিনিই নায়ক। সব আলো শুষে নেন এলএম ১০।  মেসির প্রশংসা করে ইব্রা বলেন, ''এটা নিয়ে কখনওই কোনও সন্দেহ ছিল না। পেনাল্টি মিস হতেই পারে। এই কারণেই মেসিকে মানুষ বলে মনে হয়, আবার কিছু মুহূর্তে মেসিকে মানুষ বলে মনে হয় না। এটাই মেসি। এখন পর্যন্ত এই বিশ্বকাপটা ওরই।'' 

এরপর মেসির সঙ্গে নিজের তুলনা করেন ইব্রা। বলেন, ''মেসি এখনও জর্ডনের বিরুদ্ধে খেলেনি, তাই জানি না শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামবে। দুই ম্যাচে পাঁচ গোল হয়ে গিয়েছে। আর আমি দুই বিশ্বকাপ খেলেও গোল করতে পারিনি। তাই আমি খুশি, মেসির জন্য খুশি।''

ইব্রাহিমোভিচ জাতীয় দলের হয়ে ১২২ ম্যাচে ৬২ গোল করেছেন। বার্সেলোনায় মেসির সতীর্থ ছিলেন তিনি। শুধু প্রাক্তন সতীর্থ নয়, মেসি-মায়ায় আচ্ছন্ন গোটা বিশ্ব। এখনও পর্যন্ত মেসি সবুজ ঘাসের মাঠে এঁকে চলেছেন আলপনা। 

ডালাস মেসিময়, থুরি বিশ্বকাপ মেসিময়। হ্যাটট্রিকের পর জোড়া গোল। ফুটবল জীবনের শেষ বিশ্বকাপে সেরা পারফরম্যান্স। দুই ম্যাচে পাঁচ গোল মেসির। আর্জেন্টিনার গোল সংখ্যাও তাই। সোমবার ভারতীয় সময় মধ্যরাতে অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোল হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ছাড়পত্র সংগ্রহ করল আর্জেন্টিনা। মেসি -২, অস্ট্রিয়া - ০। একদিকে আরেক বিশ্বতারকা নিষ্প্রভ। সমালোচনায় বিদ্ধ। অন্যদিকে প্রত্যেক দিন জ্বলে উঠছেন ৪০ ছুঁইছুঁই মেসি। হ্যাটট্রিক করে ২০০তম ম্যাচ স্মরণীয় করে রেখেছেন লিও। ৩৯তম জন্মদিনের দু'দিন আগেও হ্যাটট্রিকের সুযোগ এসেছিল। পেনাল্টি মিস না করলে, দুই ম্যাচে আধ ডজন গোল হয়ে যেত ফুটবলের রাজপুত্রের।