আজকাল ওয়েবডেস্ক: নরওয়েকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তুলেছেন আরলিং হালান্ড। কিন্তু আনন্দের জোয়ারে ভেসে যেতে চান না। মঙ্গলবার ৩-২ গোলে সেনেগালকে হারিয়ে রাউন্ড অফ ৩২ তে চলে গিয়েছে নরওয়ে। জোড়া গোল করেন হালান্ড। এই মুহূর্তে পরবর্তী রেজাল্টের কথা ভাবতে চান না। শুধুই উপভোগ করতে চান তারকা ফুটবলার। বিশ্বকাপ জেতা নিয়ে কোনও কথাও বলতে চান না। ইতিমধ্যেই চলতি বিশ্বকাপে চার গোল করে ফেলেছেন। ছুঁয়ে ফেলেন কিলিয়ান এমবাপেকে। লিওনেল মেসির থেকে এক গোল পিছিয়ে। গ্রুপ আইতে ছয় পয়েন্ট সংগ্রহ করে ফেলেছে নরওয়ে। একই পয়েন্টে ফ্রান্স। শুক্রবার মুখোমুখি দুই দল। সেই ম্যাচেই গ্রুপ সিরা নির্ধারত হবে।

ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে, বাস্তবের মাটিতে পা ম্যান সিটির স্ট্রাইকারের। হল্যান্ড বলেন, 'আমরা নকআউটে পৌঁছে গিয়েছি। তাই আমি সেই ম্যাচ নিয়ে ভাবতে চাই না। ওরা হয়ত আমাদের হারিয়ে দেবে। টুর্নামেন্টও জিতবে।' ১৯৯৮ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে অভিষেকের পর এই প্রথম নকআউট পর্বের ছাড়পত্র সংগ্রহ করল নরওয়ে। ৫২ আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৫৯ গোল করে ফেলেছেন হালান্ড। তিনি জানান, এই সাফল্য উপভোগ করা উচিত। মেসি, এমবাপের পর এই বিশ্বকাপ কি তাঁরও? হালান্ড বলেন, 'আপনি কি ভাবছেন তার ওপর নির্ভর করছে। ২৮ বছরে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাওয়া এবং পরবর্তী পর্বে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে দারুণ লাগছে। বিশ্বকাপ জয় নিয়ে ভাবছিই না। আমাদের বাস্তবের মাটিতে পা রেখে এগোতে হবে। এই মুহূর্তে নরওয়ের প্রত্যেক লোক খুশি।' 

দলের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ফ্যানরা। ম্যাচের আগে টাইমস স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে ভাইকিং রা সেলিব্রেশন করে। এটা নরওয়ের বিশ্বকাপ যাত্রার অন্যতম প্রতীক। ম্যাচ শেষে মাঠেই উৎসব শুরু হয়। এই মুহূর্তের ব্যাখ্যা করতে হালান্ড বলেন, 'অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। ম্যাচের আগে আমি এবং মার্টিন এই নিয়ে কথা বলেছিলাম। গোটা নরওয়ের জন্য এটা বিশেষ মুহূর্ত।' পাশাপাশি তারকা ফুটবলার জানান, তাঁর ফুটবল জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। হালান্ড বলেন, 'আমার ফুটবল কেরিয়ারের সেরা রাতগুলোর মধ্যে অন্যতম। ২০২৩ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের পর এমনই মনে হয়েছিল। আমি খুবই গর্বিত।' ফ্রান্স এবং নরওয়ে, দুই দলই নকআউট পর্বে পৌঁছে গেলেও, এমবাপে এবং হালান্ডের দ্বৈরথের অপেক্ষায় ভক্তরা।