আজকাল ওয়েবডেস্ক: টানটান উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে শেষ হল জাতীয় জুনিয়র জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬।

হাওড়ার ডুমুরজলা ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই চ্যাম্পিয়নশিপে ৪টি সোনা জিতে প্রথম স্থানে পাঞ্জাবতিনটি সোনা জিতে দ্বিতীয় স্থানে ণ্ডীগড়, এবং তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে যথাক্রমে রয়েছে হরিয়ানা ও মণিপুর।

ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের নিরিখে সেরা মণিপুরের লিমথ চানামবাম। এই চ্যাম্পিয়নশিপ থেকেই নির্বাচিত সেরা জুডোকাদের খেলো ইন্ডিয়ায় অংশগ্রহণের ছাড়পত্র দেওয়া হবে। জুডোকা স্কাউটিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত দুই জুডোকা তম্বি দেবী এবং এঙ্গম অনিতা চানু

হোম গ্রাউন্ডের অ্যাডভ্যান্টেজ থাকলেও বাংলার ভাগ্য শিকে ছেড়েনি। এই প্রসঙ্গে রাজ্য জুডো সংস্থার শীর্ষ কর্তা সঞ্জয় তরাই জানিয়েছেন, পদক না লেও বাংলার জুডোকারা নিজেদের সেরাটা তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।

পাশাপাশি আগামিদিনে বাংলার খেলোয়াড়ের জাতীয় পর্যায়ে এক্সপোজার বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন, যাতে জাতীয় পর্যায়ে বাংলার পদকখরা কাটানো সম্ভব হয়সঞ্জয় তরাই জানিয়েছেন, ভালো মানের জুডোকা তুলে আনার জন্য ইতিমধ্যেই জেলাভিত্তিক ক্যাম্প চালু হয়েছে। তবে সবার নজর ছিল লিমথ চানামবাম দিকে। গত বছরই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের আসরে প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে পদক জিতে ছিলেন মণিপুরের এই জুডোকা। দেশে ফিরে এটাই ছিল তার প্রথম ঘরোয়া প্রতিযোগিতা। তাই তাম্যাচ ঘিরে প্রত্যাশার পারদ ছিল তুঙ্গে

প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য দীর্ঘ ১৫ বছর পরে সর্বভারতীয় স্তরের কোন প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল বাংলার জুডোর সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। সারা দেশের ৩১টি রাজ্য থেকে ৮০০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহ করেছিল এই চ্যাম্পিয়নশিপে

পুরুষদের বিভাগে - ৫৫ কেজি, - ৬০ কেজি, -৬৬ কেজি, -৭৩ কেজি, -৮১ কেজি, -৯০ কেজি, - ১০০ এবং ১০০+ কেজি ক্যাটগরিতে খেলা হয়েছিল। অন্যদিকে মহিলাদের বিভাগে -৪৪ কেজি, -৪৮ কেজি, -৫২ কেজি, -৫৭ কেজি, -৬৩ কেজি, -৭০ কেজি, -৭৮ কেজি এবং ৭৮+ কেজি ক্যাটগরিতে খেলা হয়েছিল