আজকাল ওয়েবডেস্ক: সদ্য টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। কয়েকদিন কাটতে না কাটতেই বড় অনুরোধ অজিত আগরকরের। সরাসরি বোর্ডের দ্বারস্থ নির্বাচক মণ্ডলীর প্রধান। নিজের চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ করেন। ২০২৪ টি-২০ বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের পর ঠিক গত আইপিএলের আগেই আগরকরের চুক্তির মেয়াদ এক বছরের জন্য বাড়ানো হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, কথাবার্তা চলছে। কিন্তু এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানানো হয়নি। ওয়েস্ট জোন থেকে একজন ক্রিকেটার আগরকরের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে রয়েছে। কিন্তু সেই বিষয়টিও আর এগোয়নি। এবার একেবারে সঠিক সময় বিসিসিআইয়ের কড়া নাড়েন নির্বাচক প্রধান। সদ্য টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। এটাই অনুরোধের আদর্শ সময়।
২০২০-২১ সালে মুখ্য নির্বাচকের পোস্টে আবেদন করেছিলেন আগরকর। কিন্তু তাঁকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যান চেতন শর্মা। ২০২৩ সালে আবার সেই সুযোগ আসে। এবার বোর্ড কর্তাদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়। দিলীপ ভেঙ্গসরকর, কৃষ্ণমাচারী শ্রীকান্তের পর নির্বাচক প্রধানদের মধ্যে সবচেয়ে চর্চায় অজিত আগরকর। শুধুমাত্র পদের জন্য চর্চিত নয়, সিদ্ধান্তের জন্য শিরোনামে থাকেন।
গত তিন বছরে ভারতীয় দল চারটে আইসিসি ফাইনাল খেলেছে। তারমধ্যে তিনটে জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। একটি হেরেছে। পারফরম্যান্সের জন্য স্পটলাইট যদি প্লেয়ারদের ওপর থাকে, দল গঠনে নির্বাচকদের ভূমিকাও অগ্রাহ্য করা যায় না। হার্দিক পাণ্ডিয়ার পরিবর্তে সূর্যকুমার যাদবকে দীর্ঘমেয়াদী অধিনায়ক করা তাঁর সিদ্ধান্ত। এরপর একদিনের অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মাকে সরিয়ে শুভমন গিলের হাতে ব্যাটন দেন। এই দুই সিদ্ধান্তের জন্য সমালোচিত হতে হয় আগরকরকে। কিন্তু আড়ালে লুকিয়ে থাকেননি। প্রকাশ্যে সমালোচনা গ্রহণ করেন। শুধুমাত্র পরিসংখ্যানের বিষয় হলে, প্রত্যেক ক্রিকেটপ্রেমী নিজেদের প্রথম একাদশ বেছে নিত। কিন্তু দল বাছা এত সহজ নয়। প্লেয়ার স্পট করা থেকে শুরু করে ভূমিকা নির্দিষ্ট করা, দলের সঙ্গে ট্যাকটিক্যালি মানিয়ে নেওয়া, সবকিছুই একজন প্রধান নির্বাচকের ভূমিকার মধ্যে পড়ে। সুতরাং, বলতেই হবে আগরকরের নির্বাচনী কমিটি দারুণ কাজ করেছে।
