আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ প্রাক্তন ক্রিকেটারদের আরও বেশি করে কাজে লাগাতে চাইছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কর্তারা। জাহির খানের পর বোর্ড কর্তাদের নজর এবার অনিল কুম্বলে এবং হরভজন সিংয়ের দিকে। দেশের উঠতি স্পিনারদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য তাঁদের অনুরোধ করেছেন বোর্ড কর্তারা।


২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে (সিওই) দেশের উঠতি বোলারদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শিবির করছেন জাহির খান। একইভাবে প্রতিশ্রুতিমান স্পিনারদের জন্যও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চান বিসিসিআই কর্তারা। লেগ স্পিনার এবং অফ স্পিনারদের জন্য আলাদা শিবিরের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য কুম্বলে এবং হরভজনকে অনুরোধ করেছে বিসিসিআই। তাঁরা চান লেগ স্পিনারদের শিবির পরিচালনা করুন কুম্বলে। দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা স্পিনার জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ভারতীয় দলের কোচের দায়িত্বও সামলেছেন। আইপিএলের একাধিক দলকে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতাও রয়েছে কুম্বলের। অন্যদিকে, অফ স্পিনারদের শিবির পরিচালনার জন্য বিসিসিআই কর্তারা অনুরোধ করেছেন হরভজনকে। এক সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কুম্বলে–হরভজন জুটি প্রতিপক্ষ দলগুলির ত্রাস হয়ে উঠেছিল। তাই তাঁদেরকেই চাইছেন বোর্ড কর্তারা।


বিভিন্ন রাজ্যের বয়স ভিত্তিক দল থেকে সিনিয়র দলের প্রতিশ্রুতিমান স্পিনারদের নিয়ে পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজন করতে চায় বিসিসিআই। এ নিয়ে বোর্ডের এক কর্তা সর্বভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘সিওইর হেড অফ ক্রিকেট ভিভিএস লক্ষ্মণ কথা বলেছেন কুম্বলে এবং হরভজনের সঙ্গে। জাহিরের সঙ্গেও তিনিই যোগাযোগ করেছিলেন। বোলারদের জন্য নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ শিবির চান লক্ষ্মণ। হরভজন প্রশিক্ষণ দিতে খুবই আগ্রহী। সময় নিয়ে একটু সমস্যা হচ্ছে। ব্যস্ত সূচি থেকে দিন পাঁচেক ব্যবস্থা করতে পারলেই জানিয়েছেন দেবেন, কবে থেকে শিবির করবেন। ‘এ’ দলের অফস্পিনারদেরও প্রশিক্ষণ দেবেন হরভজন।’
তবে, কুম্বলের ব্যাপারে এখনও লক্ষ্মণ বোর্ড কর্তাদের কিছু জানাননি। তবে তাঁকে নিয়েও আশাবাদী তাঁরা। ওই বোর্ড কর্তা বলেছেন, ‘কুম্বলে, হরভজনরা ১০০–র বেশি টেস্ট খেলেছেন। ওদের বিশাল অভিজ্ঞতায় উপকৃত হবে তরুণ ক্রিকেটাররা। ওরা সাহায্য করার জন্য সব সময় প্রস্তুত। আগামী প্রজন্মের স্বার্থে সিওইর এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।’


এটা ঘটনা, দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শিবির শুরু করেছিলেন বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি জগমোহন ডালমিয়া। তৎকালীন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে চাঁদু বোরদে, এরাপল্লি প্রসন্ন, সৈয়দ কিরমানিদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজন করেছিলেন ডালমিয়া। সেই ধারাই বজায় রাখতে চাইছেন বর্তমান বোর্ড কর্তারা।