আজকাল ওয়েবডেস্ক: হায়দরাবাদের আমন রাওয়ের তাণ্ডবে বিজয় হাজারেতে উড়ে গেল বাংলা। ১৯ বছরের তরুণ মহম্মদ সামি, মুকেশ কুমার, আকাশদীপ, শাহবাজ আহমেদদের পিটিয়ে ২০০ করলেন। হায়দরাবাদের আমন রাওয়ের তাণ্ডবের সামনে ১০৭ রানে হেরে গেল বাংলা। সেই সঙ্গে পরের রাউন্ডে যাওয়ার রাস্তা কার্যত বন্ধ হয়ে গেল অভিমন্যু ঈশ্বরণদের কাছে। অন্যদিকে চোট সারিয়ে ফিরে মুম্বইয়ের হয়ে ৮২ রানের ইনিংস খেললেন শ্রেয়স আইয়ার।
টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলা। আর বাংলার পেস বোলারদের পিটিয়ে ১৫৪ বলে ২০০ রান করে অপরাজিত থাকেন ১৯ বছর বয়সি ক্রিকেটার আমন। মারেন ১২টি চার ও ১৩টি ছয়। ডবল সেঞ্চুরিটা করেন ছক্কা হাঁকিয়ে। জানা গেছে, আমন রাওয়ের জন্ম আমেরিকার ইউসকনসিনে। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত আমন। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে শার্দূল ঠাকুরের এক ওভারে ২৪ রান করেছিলেন। আইপিএলের মিনি নিলামে তাঁকে ৩০ লক্ষ টাকায় কিনেছে রাজস্থান রয়্যালস। সামি ৭০ রানে ৩ উইকেট নিলেও রানের ঝড় আটকাতে পারেননি। জবাবে বাংলার ইনিংস শেষ হয় ২৪৫ রানে। শাহবাজ আহমেদ ১০৮ করলেও সঙ্গে কাউকে পাননি। বাংলার পয়েন্ট ৬ ম্যাচে ১৬। ৬ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উত্তরপ্রদেশ। ৫ ম্যাচে বিদর্ভের পয়েন্টও ১৬। বাংলার শেষ ম্যাচ উত্তরপ্রদেশের বিরুদ্ধেই।
অন্যদিকে শ্রেয়স আইয়ার রান পেলেন। চোটের জন্য দীর্ঘদিন দলে ছিলেন না। জাতীয় দলে ফেরার জন্য বিজয় হাজারে ট্রফিতে ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হত। শুধু ফিটনেস পরীক্ষা নয়, রানের পরীক্ষাতেও সসম্মানে উত্তীর্ণ তিনি। কিন্তু ব্যর্থ হলেন অন্য দুই তারকা। রান পেলেন না সূর্যকুমার যাদব ও শুভমান গিল।
এটা ঘটনা চোট সারিয়ে দু’মাস পর মাঠে ফিরলেন শ্রেয়স। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভয়ঙ্কর চোট পেয়েছিলেন। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শর্তসাপেক্ষে প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। তবে সেই ম্যাচ খেলতে হলে বিজয় হাজারেতে ফিটনেসের পরীক্ষায় পাস করতে হত। হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে নেমে ৫৩ বলে ৮২ রান করেন শ্রেয়স। মারেন ১০টি চার ও ৩টি ছয়। তবে এই ম্যাচে রান পেলেন না সূর্যকুমার যাদব (২৪)। অন্য ম্যাচে পাঞ্জাবের হয়ে রান পেলেন না শুভমান গিলও (১১)।
