আজকাল ওয়েবডেস্ক : উজ্জ্বল ও মজবুত চুল পেতে চান সকলেই। দূষণ, সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি, জীবনযাপন- ইত্যাদি নানা কারণে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চুল ভেঙে যায় এবং নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় আমন্ড বাদামের তেল খুব উপকারী। কিন্তু কীভাবে এটি ব্যবহার করবেন ? কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কী? কী বলছেন থেরাপিস্ট ?
চুলের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানো থেকে চুলকে ময়শ্চারাইজ করা -চুলের জন্য আমন্ড তেল খুবই উপকারী। সঠিকভাবে ব্যবহার করা হলে এটি চুলের ভেঙে যাওয়া, শুষ্কতা-সহ আরও অনেক সমস্যার সমাধান করতে সহায়তা করতে পারে। আমন্ড বাদামের তেল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, স্ক্লেরোসেন্ট গুণ সমৃদ্ধ। সোরিয়াসিস এবং একজিমা সহ একাধিক ত্বকের সমস্যা উপশম করে এর আয়ুর্বেদিক উপাদান। চাইনিজ এবং গ্রিকো-পার্সিয়ান স্কুল অফ মেডিসিনে দীর্ঘদিন ব্যবহৃত হয়ে আসছে বাদাম তেল। শুধু ত্বকের জন্য নয়, ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমের (আইবিএস) উপসর্গ কমাতে এবং হার্টের স্বাস্থ্য যথাযথ রাখতেও এটি উপকারী।
১. এই তেলের ইমোলিয়েন্টগুলি চুলকে নরম এবং পুষ্ট করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাথার ত্বককে আর্দ্র রাখে। চুলকে আর্দ্র রেখে ভেঙে যাওয়া থেকে আটকায়।
২. অতিবেগুনী রশ্মি চুলের প্রোটিনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। চুলের ফলিকলকে আরও দুর্বল করে দেয়। বাদাম তেলের ফ্যাটি অ্যাসিড কাঠামোগত ক্ষতির বিরুদ্ধে চুলকে রক্ষা করে।
৩. নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে এই তেল।
৪. খুশকির সমস্যাতেও উপকারী।
চুলের রুক্ষভাব কাটাতে কন্ডিশনারের সঙ্গে অল্প আমন্ড অয়েল মিশিয়ে মাখুন। উপকার পাবেন। এছাড়া সপ্তাহে ৩ দিন শ্যাম্পু করার আগে চুলের গোড়ায় ভাল করে আঙুলের ডগা দিয়ে ম্যাসাজ করুন। সারারাত মাথায় তেল মেখে থাকবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারেন।
চুলের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানো থেকে চুলকে ময়শ্চারাইজ করা -চুলের জন্য আমন্ড তেল খুবই উপকারী। সঠিকভাবে ব্যবহার করা হলে এটি চুলের ভেঙে যাওয়া, শুষ্কতা-সহ আরও অনেক সমস্যার সমাধান করতে সহায়তা করতে পারে। আমন্ড বাদামের তেল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, স্ক্লেরোসেন্ট গুণ সমৃদ্ধ। সোরিয়াসিস এবং একজিমা সহ একাধিক ত্বকের সমস্যা উপশম করে এর আয়ুর্বেদিক উপাদান। চাইনিজ এবং গ্রিকো-পার্সিয়ান স্কুল অফ মেডিসিনে দীর্ঘদিন ব্যবহৃত হয়ে আসছে বাদাম তেল। শুধু ত্বকের জন্য নয়, ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমের (আইবিএস) উপসর্গ কমাতে এবং হার্টের স্বাস্থ্য যথাযথ রাখতেও এটি উপকারী।
১. এই তেলের ইমোলিয়েন্টগুলি চুলকে নরম এবং পুষ্ট করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাথার ত্বককে আর্দ্র রাখে। চুলকে আর্দ্র রেখে ভেঙে যাওয়া থেকে আটকায়।
২. অতিবেগুনী রশ্মি চুলের প্রোটিনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। চুলের ফলিকলকে আরও দুর্বল করে দেয়। বাদাম তেলের ফ্যাটি অ্যাসিড কাঠামোগত ক্ষতির বিরুদ্ধে চুলকে রক্ষা করে।
৩. নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে এই তেল।
৪. খুশকির সমস্যাতেও উপকারী।
চুলের রুক্ষভাব কাটাতে কন্ডিশনারের সঙ্গে অল্প আমন্ড অয়েল মিশিয়ে মাখুন। উপকার পাবেন। এছাড়া সপ্তাহে ৩ দিন শ্যাম্পু করার আগে চুলের গোড়ায় ভাল করে আঙুলের ডগা দিয়ে ম্যাসাজ করুন। সারারাত মাথায় তেল মেখে থাকবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারেন।
















