আজকাল ওয়েবডেস্ক: কায়দা করে জুতো পরেছেন। ঘণ্টা দুয়েক পর বন্ধুর বাড়ির আড্ডায় জুতো খুলে যেই না গদিতে বসেছেন, অমনি লজ্জার একশেষ! বন্ধুরা ততক্ষণে যা বোঝার বুঝে গিয়েছে। সকলের নাকে পৌঁছে গিয়েছে দুর্গন্ধ। আশপাশের লোকেদের চোখেমুখে ফুটে ওঠে বিরক্তি। আপনারও কি এই অভিজ্ঞতা হয়েছে? তাহলে শুধু আপনি একাই নয়, শীতকালে এই সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। আসলে সারা বছর না পরলেও শীতে মোটামুটি সকলেই মোজা পরেন। এদিকে সারাদিন জুতো-মোজা পরে থাকলেই পায়ের দুর্গন্ধে নাজেহাল অবস্থা! তবে কয়েকটি ঘরোয়া উপায় মানলে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। রইল তারই হদিশ-
জুতোর মধ্যে সামান্য বেকিং সোডা মাখিয়ে নিন। পরদিন জুতোর ওই অংশটি মুছে পরিষ্কার করে জুতা পরুন। দুর্গন্ধ থাকবে না। তবে চামড়ার জুতোয় বেকিং সোডা ব্যবহার করবেন না।
শীতকালেও অনেকের পা ঘেমে যায়। তাই সবার আগে পায়ের যত্ন প্রয়োজন। রোজ রাতে বাড়ি ফিরে উষ্ণ জলে নুন ফেলে পা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ভালে করে মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগান।
সপ্তাহে একবার জুতো রোদে দিন। এতে জুতো যেমন ভাল থাকবে, তেমনই দুর্গন্ধও হবে না। প্রয়োজনে জুতোর মধ্যে ন্যাপথোলিন রাখতে পারেন। রাতে জুতোর মধ্যে এক টুকরো ফেব্রিক সফটনার সিট রেখে দিতে পারেন। পরদিন সেটি বের করে জুতো পরুন। গন্ধ একেবারে ভ্যানিশ হয়ে যাবে।
রোজ মোজা কাচার চেষ্টা করুন। পারলে ডেটল জল ব্যবহার করুন। কিংবা একাধিক মোজা কিনে মাঝে মধ্যে বদলে নিন। এতে সমস্যা অনেকটা মিটবে।তবে ভুলেও গন্ধ মোজায় পারফিউম স্প্রে করবেন না। এতে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। মোজা পরার আগে ভাল করে পা ধুয়ে একটু বেকিং সোডা ঘষে নিতে পারেন।
স্নিকারস দুর্গন্ধমুক্ত রাখতে মাঝে মাঝে সামান্য নুন ছিটিয়ে দিন। এক টুকরো কাপড় বা তুলা লবঙ্গ তেলে ভিজিয়ে জুতার মধ্যে রেখে দিন সারারাত। জুতার দুর্গন্ধ দূর হবে। জুতোর মধ্যে কয়েকটি লবঙ্গ রাখলেও উপকার পাবেন।
















