আজকাল ওয়েবডেস্কঃ লম্বা চুল পছন্দ করেন না এমন মেয়ের সংখ্যা খুব কম। তবে এক্ষেত্রে চুলের যত্ন নেওয়ার পরেও দেখা যায় ডগা ফেটে গিয়েছে। এই সমস্যায় কমবেশি সব মেয়েরাই ভোগে। এতে চুলের দশা বেহাল হয়ে যায়, দেখতেও বাজে লাগে। সঙ্গে মুঠো মুঠো চুল পড়া তো আছেই। এই সমস্যার সমাধান করতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে এই ঘরোয়া উপায়ে তৈরি পানীয়। জেনে নিন কীভাবে বানাবেন।
একটি অর্ধেক বীটকে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। সঙ্গে দিন দুটো ছোট টুকরো করে কেটে রাখা আমলকী ও কয়েক টুকরো আদা। এক মুঠো টাটকা কারিপাতাকে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। ব্লেন্ডারে দিয়ে দিন। এক গ্লাস জল দিন। ব্লেন্ড করে নিন। মিশ্রণটি ছেঁকে নিতে হবে। সকালে ব্রেকফাস্টের পর এই পানীয় সপ্তাহে ৪-৫ দিন খেলে আপনার চুল সংক্রান্ত সব ধরণের সমস্যার সমাধান হবেই। চুলের ডগা ফেটে যাওয়া ও খুশকির উপদ্রব ভেতর থেকে রোধ করে। চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক এই পানীয়। চুল হয় মজবুত ও ঘন।
চুলের শুষ্কতা দূর করতে দারুণভাবে সাহায্য করে বিটরুট। পাশাপাশি কমায় খুশকির সমস্যাও। গবেষণা বলছে, নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে বিটরুট। প্রাকৃতিক উপায়ে চুলে রঙ এনে দিতেও সাহায্য করে বিট। বিটরুটের মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি ও বি৬। আর গাজরে রয়েছে ভিটামিন ই এবং সি। চুলের বৃদ্ধিতে ও স্ক্যাল্পের সমস্যাকেও দূরে রাখে এই পানীয়। শীতে নিয়ম করে এই পানীয় পান করলে এটি চুলের ফলিকলকে মজবুত করে। চুলের গোড়াও মজবুত হয়। ফলে চুল পড়ার সমস্যা কমে। টক দই মাথার ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে এবং খুশকি ও মৃত কোষ উৎখাত করতে সাহায্য করে। কারিপাতায় থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি। এই ভিটামিন চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে।
















