আজকাল ওয়েবডেস্কঃ কোনও খাবারে কেশর দিলে তার স্বাদ বদলে যায়। আর যদি কেশর দিয়ে ত্বকের যত্ন নেন, জেল্লা ফেটে পড়বে। সপ্তাহে একদিন কেশর মাখলেই ত্বকে এর প্রভাব দেখতে পাবেন। ত্বকের অ্যান্টিবডি কেশর। বিশেষত, ত্বককে বার্ধক্যের হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে এই দামি মশলা। কেশর ত্বকের দাগছোপ, বলিরেখা দূর করতেও সহায়ক। তাই এই মশলা দিয়ে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ম্যাজিকাল ক্রিম যা শীতে আপনার শুষ্ক নির্জীব ত্বককে মসৃণ ও কোমল করবে। 

দু'চিমটি কেশর টিস্যু পেপারে মুড়ে প্যানে ২-৩ মিনিট সেঁকে নিন। একটি বাটিতে হালকা সেঁকে নেওয়া কেশর দিয়ে দিন। এর উপর এক চামচ করে অ্যালোভেরা জেল ও আমন্ড অয়েল দিন। সঙ্গে এক চামচ গোলাপ জল ও একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল কেটে দিন। সব উপকরণগুলো ভাল করে দু'মিনিট ফেটিয়ে নিন। একটি থকথকে ক্রিমের মিশ্রণ তৈরি হয়ে যাবে। সুগন্ধ বেরোলে একটি এয়ারটাইট কন্টেনারে ভরে রাখুন। এই কেশর ময়েশ্চারাইজার গোটা শীতকালে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মুখে মেখে দু'মিনিট ম্যাসাজ করুন। আপনার মুখে জেল্লা ফেটে পড়বে।

কেশরের মধ্যে ক্রোসিন ও ক্রোসেটিন নামের দুটি যৌগ রয়েছে, যা পিগমেনটেশনের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। পিগমেনটেশন আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক জেল্লা কেড়ে নেয়। কেশর ব্যবহারে ত্বকের তরতাজা ভাব ফিরে আসে। উচ্চ মাত্রায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে। এটি ব্রণ উৎপাদনকারী ব্যাক্টেরিয়া ও জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে। দীর্ঘদিন ধরে ব্রণর সমস্যায় ভুগলে এবার কেশর ব্যবহার করে দেখুন। এই ময়েশ্চারাইজার চোখের চারপাশে লাগালে ফোলাভাব, ডার্ক সার্কেল সব দূর হয়ে যায়। কেশর রোমকূপকে পরিষ্কার করবে এবং ত্বককে টানটান করে তুলতে সাহায্য করে। কেশর ত্বকের প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে কাজ করে।