আজকাল ওয়েবডেস্ক: এপ্রিলের শুরুতে হাঁসফাস অবস্থা। গনগনে গরমের হাত থেকে বাঁচার একমাত্র সহায় এয়ার কন্ডিশনার। অনেকেরই সর্বক্ষণের সঙ্গী শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই যন্ত্রটি। অফিসে, বাড়িতে তো বটেই, এমনকী যাতায়াতের জন্য এসি বাস কিংবা ক্যাব বেছে নিন। গরমের দহনজ্বালা এড়াতে এসিতে থাকা নি:সন্দেহে আরামদায়ক, তবে ত্বকের উপর এর প্রভাব যে মনোরম নয়। বিশেষ করে যদি ঠিক মতো ত্বককে ময়শ্চারাইজ না করেন, তাহলে ত্বকের হাল বিগড়াতে সময় লাগে না। 

এসি কীভাবে ত্বকের উপর প্রভাব ফেলে

এসির বাতাস খুবই শুকনো ধরনের হয়। তাই স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে হঠাৎ বা দীর্ঘ সময় এসির ঠান্ডা বাতাসে থাকলে প্রথমেই ত্বকের আর্দ্রতায় টান পড়ে। এছাড়াও ত্বকে চুলকানি হওয়া, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, ত্বক ফেটে যাওয়া, ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া, ত্বকে দ্রুত ভাঁজ পড়া ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। তাহলে দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকলে কীভাবে ত্বকের যত্ন নেবেন, জেনে নিন- 

* গরমে এসিতে থাকা স্বস্তিদায়ক ঠিকই, তবে সম্ভভ হলে মাঝে মাঝে এসি বন্ধু করুন কিংবা বাইরে মুক্ত বাতাসে থাকুন। এতে ত্বকের স্বাস্থ্যকর ভাসসাম্য বজায় থাকবে। 
* ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে গ্লিসারিন দারুণ কাজ করে। তাই ময়েশ্চারাইজারের পাশাপাশি গ্লিসারিনও ব্যবহার করতে পারেন। 
* শুধু ত্বক নয়, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের ঠান্ডা বাতাস ঠোঁটও রুক্ষ করে তোলে। ঠোঁটের কোমলতা বজায় রাখতে ব্যবহার পেট্রোলিয়ামজাত জেলি ব্যবহার করুন। ম্যাট লিপস্টিক এড়িয়ে চলুন। 
* এসির পরিবেশে ঢোকার আগে থেকেই ত্বকে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। সঙ্গে খানিকক্ষণ বাদে বাদে সেটি ব্যবহার করুন। বিশেষ করে বার বার হাত ধোয়ার ফলে হাতে শুষ্কভাব আসে। হাতে ময়েশ্চারাইজার ছাড়াও অলিভ অয়েল কিংবা ভারী কোনও লোশন বা ক্রিমও লাগাতে পারেন।
* এসিতে দীর্ঘক্ষণ থাকলে শরীরে জলের অভাব হতে পারে। যার প্রভাব পড়ে ত্বকে। তাই পর্যাপ্ত জল খাওয়া প্রয়োজন। দিনে অন্তত ২-৩ লিটার জল খাওয়া আবশ্যিক।