আজকাল ওয়েব ডেস্ক: আজকাল অল্প বয়সেই ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপের মতো ক্রনিক রোগ হানা দেয়। সঙ্গে দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার জীবনযাত্রার কারণে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সহ নানা পুষ্টির অভাবেও ভোগেন অনেকে। আর সেই ঘাটতি মেটাতে পারে শাকসবজি। বিশেষ করে যে কোনও সবুজ শাক বিভিন্ন পুষ্টিগুণে ভরপুর। সবুজ শাক শরীরকে ঠান্ডা রাখে। তাই সার্বিক সুস্থতার জন্য নিয়মিত শাক খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। তেমনই একটি শাক হল পুঁইশাক। হ্যাঁ, হেঁশেলের পরিচিত এই শাকই নিয়মিত খেলে বিভিন্ন রোগ থেকে স্বস্তি মিলবে।
পুঁই শাক খেতে আমরা সকলেই কম-বেশি ভালবাসি। আর মাছের মাথা দিয়ে পুঁইশাকের পদ হলে তো কথাই নেই! শুধু সুস্বাদুই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও ভাল পুঁইশাক। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। পুঁই শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। একইসঙ্গে হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারী। ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ পুঁই শাক নিয়মিত খেলে সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উপকার হয়।
একাধিক স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর পুঁইশাক। এতে থাকে ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম। পুঁইশাক থেকে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন এবং লুটেইন পাওয়া যায় যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সঙ্গে চোখ এবং ত্বকের স্বাস্থ্যও ভাল রাখে।
মহিলাদের অনেক সময়েই শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা যায়। ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। সেক্ষেত্রে পুঁইশাক খেলে আয়রন ঘাটতি মিটবে। পুঁইয়ের রস বা শাক খেলে শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক থাকে। পুঁই শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে এবং হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এই শাক পরিপাকতন্ত্রের জন্যও খুবই উপকারী।
শাকের পাশাপাশি পুঁইবীজ নিয়মিত খেলে রক্তে চর্বি বাড়ার ভয় থাকে না। এই বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। আয়রন সমৃদ্ধ এই বীজ মেটাবলিজম বা বিপাক ক্রিয়া সহজ করে। ফলে ক্যালোরি বার্ন হয়ে দ্রুত ওজন কমে। পুঁইশাকের মতো পুঁইবীজের আঁশ শুক্রাণুর সক্রিয়তা বাড়ায়। তবে বর্ষাকালে পুঁইশাক খাওয়ার ক্ষেত্রে একটু সতর্ক থাকতে হবে।
















