আজকাল ওয়েবডেস্ক: দেহে কোনও যন্ত্রণার ছাপ নেই। পোশাক পরিচ্ছেদ একেবারে সুন্দর করে পরা। কিন্তু এক চুলও নড়ছেন না বছর ৫৫-র ওই ব্যক্তি। হোটেলের কর্মচারীরা যখন তাঁকে এভাবে দেখেন তখন তাঁরা ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেননি কী হয়েছে ওই ব্যক্তির সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত কাছে যেতেই চোখ ছানাবড়া! শিশুর মতো ঘুমন্ত ওই ব্যক্তির ঘুম সাধারণ নয়। সেই ঘুম চিরশান্তির। কারণ তিরি মৃত!
আরও পড়ুন: ‘স্তনদুগ্ধ আইসক্রিম’ খেতে হুড়োহুড়ি বড়দেরও! কত দাম? কোথায় পাওয়া যাবে এই স্বাদ?
ডাকা হল প্রশাসনকে। প্রথম দর্শনে দেহ দেখে মনে হয় হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যক্তির। কিন্তু আরও একটু পরীক্ষা করতেই বেরিয়ে আসে আসল সত্যি। দেখা যায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। গোপনাঙ্গ দিয়ে গুলি ঢুকে ফুটো করে দিয়েছে অণ্ডকোষ। এখানেই শেষ নয়। ময়নাতদন্তে দেখা যায় সেই গুলি শেষ পর্যন্ত ঢুকে গিয়েছে তাঁর হৃদযন্ত্রে। তাতেই মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যক্তির।
আরও পড়ুন: ছেলের শুক্রাণুতে সন্তানধারণ করলেন ৭০-এর অভিনেত্রী! সন্তান না নাতি? তুমুল বিতর্ক
ঘটনাটি ঘটে ২০১০ সালে। টেক্সাসের বিউমন্ট-এর একটি হোটেলে। মৃত ব্যক্তির নাম গ্রেগ ফ্লেনিকেন। ৫৫ বছর বয়সি গ্রেগ পেশায় ছিলেন তেলের সংস্থার কর্মী। কিন্তু ক্রমশ ঘনিয়ে ওঠে রহস্য। কারণ হোটেলের যে ঘরে তাঁর মৃতদেহ পাওয়া যায় সেই ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। বিছানায় কোনও ধ্বস্তাধ্বস্তির চিহ্নও ছিল না। তাহলে কে তাঁকে গুলি করল? এমন নিখুঁত নিশানাই বা সাধল কেমন করে? এমনকী ঘরে পাওয়া যায়নি কোনও বন্দুক।
মাস খানেক তদন্তের পর যখন পুলিশ হাল ছেড়ে দিতে উদ্যত, তখনই হঠাৎ করে সামনে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। হোটেল ঘরের দরকার পিছনে তদন্তকারী অফিসাররা খুঁজে পান একটি ছোট্ট ছিদ্র। আরও পরীক্ষা করে দেখা যায় সেই ছিদ্রটি দেওয়াল ভেদ করে চলে গিয়েছে হোটেলের পাশের ঘরে। ব্যাস সেখান থেকেই হয় রহস্য উদঘাটন।
খোঁজ নিয়ে দেখা যায় সেই ঘরে ওই সময় উপস্থিত ছিলেন দুই বন্ধু। তাঁদেরই একজন একটি বন্দুক কেনেন। সেই বন্দুকটি বন্ধুকে দেখাচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। খেলাচ্ছলে বন্দুক নাড়াতে গিয়ে আচমকাই গুলি বেরিয়ে যায়। সেই গুলি দেওয়াল ভেদ করে চলে যায় পাশের ঘরে। কেড়ে নেয় গ্রেগের প্রাণ। বেচারা গ্রেগ নড়ার সময়টুকুও পাননি।
গোপনাঙ্গ দিয়ে ঢুকে অণ্ডকোষ ফুটো করে হার্ট ফুঁড়ে দিল গুলি, তবু একচুলও নড়লেন না প্রৌঢ়! কেন?
