লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধে পুড়ছে বিশ্ববাজার। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১২০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। যা গত চার বছরে সর্বোচ্চ।
2
9
ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক সময় ব্যারেল প্রতি ১২৬.৪১ ডলারে পৌঁছে যায়। এর আগে ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় তেলের দাম ১৩০ ডলারে উঠেছিল।
3
9
ইরান যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল চলাচল বন্ধ। তারপর থেকেই পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, তেলের দাম আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে।
4
9
উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরুর আগে তেলের দাম ছিল মাত্র ৭০ ডলারের আশেপাশে। পশ্চিম এশিয়ার এই অশান্তিতে বিশ্বজুড়ে সঙ্কট। এদিকে হরমুজ প্রণালী দিয়েই বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ হয়।
5
9
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরান এই পথ বন্ধ করে দেয়। ভারত ও ফ্রান্সের মতো কিছু দেশ ছাড় পেলেও বহু জাহাজ এখন সেখানে আটকে। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে আমেরিকাও ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ তৈরি করেছে।
6
9
এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রক গোষ্ঠী ওপেক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি বেরিয়ে যাওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
7
9
বিশেষজ্ঞদের মতে, আমিরশাহির বিদায়ে বাজারের খুব একটা ক্ষতি হবে না। আপাতত সবার নজর আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের গতিপ্রকৃতির দিকে।
8
9
এদিকে, দু’পক্ষের শান্তি আলোচনাও কার্যত ভেস্তে গিয়েছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পাকিস্তানে আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে গেলেও মার্কিন প্রতিনিধি দল সেখানে পৌঁছায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শেষ মুহূর্তে আলোচনার পথ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
9
9
ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। উল্টোদিকে ইরান ক্ষতিপূরণ এবং হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ দাবি করছে। এই পরিস্থিতির কারণে তেলের জোগান পুনরায় স্বাভাবিক হওয়া নিয়ে বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তা।